ঢাকা ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আলেশা মার্টের মালিকের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে দেনা পরিশোধের দাবি

নিজস্ব সংবাদ

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলেশা মার্টে বিনিয়োগ করা টাকা দীর্ঘদিনেও ফেরত না দেওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির মালিক মনজুর আলম শিকদারের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে দেনা পরিশোধের দাবি জানিয়েছেন গ্রাহকরা। সেই সঙ্গে মনজুর আলম শিকদার ও তার স্ত্রী সাদিয়া চৌধুরীকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আলেশা মার্ট কাস্টমার ভিকটিম অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আলেশা মার্ট কাস্টমার ভিকটিম অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিপ্লব আলী আরাফাত, সেক্রেটারি মো. রাসেল খান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সুমন হাসান তাফসীরসহ ১৫-২০ জন গ্রাহক উপস্থিত ছিলেন।

গ্রাহকরা বলেছেন, ২০২১ সালে আলেশা মার্ট কোম্পানি চালুর পর চেয়ারম্যান মনজুর আলম শিকদার ৩৫ শতাংশ ছাড়ে ৪৫ দিনের মধ্যে মোটরবাইক দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এ অফারে প্রায় ৪৬ হাজার বাইকের অর্ডার জমা পড়ে। এর পর ৩৩ শতাংশ ছাড়ে আরও প্রায় ৩০০ কোটি টাকার মোটরবাইকের অর্ডার দেন প্রায় ৭ হাজার গ্রাহক। কিন্তু, আলেশা মার্ট গ্রাহকদের পণ্য দিতে ব্যর্থ হয়। টাকা ফেরত না দিয়ে বিভিন্ন তারিখে চেক ধরিয়ে দেয় প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু, অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় চেকগুলো ব্যাংক থেকে ডিসঅনার হয়। পরে একাধিকবার সময় দিয়েও টাকা দেয়নি তারা।

চেয়ারম্যান মনজুর আলম শিকদার ও তার স্ত্রী সাদিয়া চৌধুরীর বিরুদ্ধে সারা দেশে বহু মামলা হয়েছে। তাদের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলেও এখনও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন গ্রাহকরা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৭:৪৬:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৩
১৩৫ বার পড়া হয়েছে

আলেশা মার্টের মালিকের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে দেনা পরিশোধের দাবি

আপডেট সময় ০৭:৪৬:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৩

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলেশা মার্টে বিনিয়োগ করা টাকা দীর্ঘদিনেও ফেরত না দেওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির মালিক মনজুর আলম শিকদারের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে দেনা পরিশোধের দাবি জানিয়েছেন গ্রাহকরা। সেই সঙ্গে মনজুর আলম শিকদার ও তার স্ত্রী সাদিয়া চৌধুরীকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আলেশা মার্ট কাস্টমার ভিকটিম অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আলেশা মার্ট কাস্টমার ভিকটিম অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিপ্লব আলী আরাফাত, সেক্রেটারি মো. রাসেল খান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সুমন হাসান তাফসীরসহ ১৫-২০ জন গ্রাহক উপস্থিত ছিলেন।

গ্রাহকরা বলেছেন, ২০২১ সালে আলেশা মার্ট কোম্পানি চালুর পর চেয়ারম্যান মনজুর আলম শিকদার ৩৫ শতাংশ ছাড়ে ৪৫ দিনের মধ্যে মোটরবাইক দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এ অফারে প্রায় ৪৬ হাজার বাইকের অর্ডার জমা পড়ে। এর পর ৩৩ শতাংশ ছাড়ে আরও প্রায় ৩০০ কোটি টাকার মোটরবাইকের অর্ডার দেন প্রায় ৭ হাজার গ্রাহক। কিন্তু, আলেশা মার্ট গ্রাহকদের পণ্য দিতে ব্যর্থ হয়। টাকা ফেরত না দিয়ে বিভিন্ন তারিখে চেক ধরিয়ে দেয় প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু, অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় চেকগুলো ব্যাংক থেকে ডিসঅনার হয়। পরে একাধিকবার সময় দিয়েও টাকা দেয়নি তারা।

চেয়ারম্যান মনজুর আলম শিকদার ও তার স্ত্রী সাদিয়া চৌধুরীর বিরুদ্ধে সারা দেশে বহু মামলা হয়েছে। তাদের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলেও এখনও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন গ্রাহকরা।