ঢাকা ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ৪ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ইবিতে ঐক্য মঞ্চের কক্ষ বরাদ্দ ও উদ্বোধন

ওয়াসিফ আল আবরার, ইবি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মিলনস্থল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ঐক্যমঞ্চের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অফিস কক্ষ বরাদ্দ ও উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (৬ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনের দ্বিতীয় তলার ২০৮ নং কক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শেলিনা নাসরীন, টিএসসিসির পরিচালক অধ্যাপক ড. বাকী বিল্লাহ বিকুল, ইবি ঐক্যমঞ্চের আহ্বায়ক ইয়াশিরুল কবীর, সদস্য সচিব রাবেয়া সহ প্রায় ২২ টার মত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এসময় বাকী বিল্লাহ বিকুল বলেন, আমরা আনন্দিত যে এই মহতি উদ্যোগে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জনপ্রিয় এবং সংস্কৃতি মনস্ক সুযোগ্য শিক্ষক আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা প্রফেসর ড. সেলিনা নাসরীন ম্যাডাম উপস্থিত রয়েছেন। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই আমরা সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে একরকম বরাদ্দ দিতে পারিনি। এটা অত্যান্ত দুঃখজনক। অনেক আন্তরিকতা থাকলেও নানা কারণেই সেটা হয়ে উঠেনি। তো আমরা সে জায়গাটাকে পরিষ্কার করলাম এটা নিয়ে অবশ্যই আমাদের গর্ব আছে। এটা দিতে আমাদের কোনো কার্পণ্য ছিলো না বরং মনে হলো আমরা ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে রইলাম। আসলে টিএসসিসি হলো আমাদের সন্তানদের অন্যতম জায়গা, আমাদের শিক্ষার্থীদের প্রিয় জায়গা। ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিমোতাবেক নিয়ম মেনে আমরা রুমগুলো বরাদ্দ করবো।

ছাত্র উপদেষ্টা এবং হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. শেলীনা নাসরীন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধুমাত্র একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি সার্বজনীন করার যে ব্যবস্থা বিভিন্ন সংগঠনগুলো করে থাকে সেগুলোর মাধ্যমে আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, সভ্যতা যুগ যুগ টিকে থাকে এবং উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পায়। অনেক সংগঠন আছে যাদের কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য নির্দিষ্ট একটা জায়গা নেই, আমতলা-জামতলায় করতে হয়। টিএসসিসিতে যখন ক্লাসরুম থাকবে না তখন আমার মনে হয় অনেক সংগঠনকে তাদের প্রকৃতি অনুযায়ী আলাদা আলাদা রুম বরাদ্দ সুযোগ হবে। আজকের রুমের মাধ্যমে তার ই সূচনা আজ হলো, ভবিষ্যতে এটা বৃদ্ধি পাবে। রুম ব্যবহারের বিধিমালা মেনে সবাইকে সভ্যভাবে, ভদ্রভাবে একত্রিত হয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করার আহবান জানাই। ঐক্যমঞ্চের সদস্য সচিব রাবেয়া বলেন, ঐক্যমঞ্চের নির্দিষ্ট কক্ষ পাওয়াটা আমাদের কাছে খুবই আনন্দের, এখন থেকে ঐক্যমঞ্চের আওতাধীন সকল সংগঠন তাদের কার্যক্রম আরো গতিশীল করতে সক্ষম হবে এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে একধাপ এগিয়ে নিবে।

ঐক্যমঞ্চের আহ্বায়ক ইয়াশিরুল কবীর বলেন, ঐক্যমঞ্চ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি জোটবদ্ধ সংগঠন। এতে প্রায় ২২ টির অধিক সংগঠন যুক্ত আছে। সকল সংগঠনের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষা ছিল তাদের একটি নির্দিষ্ট কক্ষের। দীর্ঘদিন পর সেই প্রতীক্ষার অবসান ঘটল আজ। এতে করে সংগঠন গুলোর শিক্ষার্থী কেন্দ্রীক কার্যক্রম আরো বৃদ্ধি পাবে এবং সংগঠন গুলো আরো প্রগতিশীল সংস্কৃতি চর্চায় উজ্জীবিত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০১:৫০:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৩
২০৩ বার পড়া হয়েছে

ইবিতে ঐক্য মঞ্চের কক্ষ বরাদ্দ ও উদ্বোধন

আপডেট সময় ০১:৫০:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৩

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের মিলনস্থল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ঐক্যমঞ্চের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অফিস কক্ষ বরাদ্দ ও উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (৬ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনের দ্বিতীয় তলার ২০৮ নং কক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শেলিনা নাসরীন, টিএসসিসির পরিচালক অধ্যাপক ড. বাকী বিল্লাহ বিকুল, ইবি ঐক্যমঞ্চের আহ্বায়ক ইয়াশিরুল কবীর, সদস্য সচিব রাবেয়া সহ প্রায় ২২ টার মত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এসময় বাকী বিল্লাহ বিকুল বলেন, আমরা আনন্দিত যে এই মহতি উদ্যোগে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জনপ্রিয় এবং সংস্কৃতি মনস্ক সুযোগ্য শিক্ষক আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা প্রফেসর ড. সেলিনা নাসরীন ম্যাডাম উপস্থিত রয়েছেন। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই আমরা সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে একরকম বরাদ্দ দিতে পারিনি। এটা অত্যান্ত দুঃখজনক। অনেক আন্তরিকতা থাকলেও নানা কারণেই সেটা হয়ে উঠেনি। তো আমরা সে জায়গাটাকে পরিষ্কার করলাম এটা নিয়ে অবশ্যই আমাদের গর্ব আছে। এটা দিতে আমাদের কোনো কার্পণ্য ছিলো না বরং মনে হলো আমরা ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে রইলাম। আসলে টিএসসিসি হলো আমাদের সন্তানদের অন্যতম জায়গা, আমাদের শিক্ষার্থীদের প্রিয় জায়গা। ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিমোতাবেক নিয়ম মেনে আমরা রুমগুলো বরাদ্দ করবো।

ছাত্র উপদেষ্টা এবং হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের অধ্যাপক ড. শেলীনা নাসরীন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধুমাত্র একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি সার্বজনীন করার যে ব্যবস্থা বিভিন্ন সংগঠনগুলো করে থাকে সেগুলোর মাধ্যমে আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, সভ্যতা যুগ যুগ টিকে থাকে এবং উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পায়। অনেক সংগঠন আছে যাদের কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য নির্দিষ্ট একটা জায়গা নেই, আমতলা-জামতলায় করতে হয়। টিএসসিসিতে যখন ক্লাসরুম থাকবে না তখন আমার মনে হয় অনেক সংগঠনকে তাদের প্রকৃতি অনুযায়ী আলাদা আলাদা রুম বরাদ্দ সুযোগ হবে। আজকের রুমের মাধ্যমে তার ই সূচনা আজ হলো, ভবিষ্যতে এটা বৃদ্ধি পাবে। রুম ব্যবহারের বিধিমালা মেনে সবাইকে সভ্যভাবে, ভদ্রভাবে একত্রিত হয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করার আহবান জানাই। ঐক্যমঞ্চের সদস্য সচিব রাবেয়া বলেন, ঐক্যমঞ্চের নির্দিষ্ট কক্ষ পাওয়াটা আমাদের কাছে খুবই আনন্দের, এখন থেকে ঐক্যমঞ্চের আওতাধীন সকল সংগঠন তাদের কার্যক্রম আরো গতিশীল করতে সক্ষম হবে এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে একধাপ এগিয়ে নিবে।

ঐক্যমঞ্চের আহ্বায়ক ইয়াশিরুল কবীর বলেন, ঐক্যমঞ্চ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি জোটবদ্ধ সংগঠন। এতে প্রায় ২২ টির অধিক সংগঠন যুক্ত আছে। সকল সংগঠনের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষা ছিল তাদের একটি নির্দিষ্ট কক্ষের। দীর্ঘদিন পর সেই প্রতীক্ষার অবসান ঘটল আজ। এতে করে সংগঠন গুলোর শিক্ষার্থী কেন্দ্রীক কার্যক্রম আরো বৃদ্ধি পাবে এবং সংগঠন গুলো আরো প্রগতিশীল সংস্কৃতি চর্চায় উজ্জীবিত হবে।