ঢাকা ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা

মামুনুর রশীদ রাজু, ব্যুরো চিফ

আজ রোববার সারা দেশে ২০২৪ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষা শুরু হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির কারণে শুধু সিলেট বিভাগের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত রয়েছে। তবে ৯ জুলাই থেকে যে পরীক্ষাগুলো হওয়ার কথা ছিল, সেগুলো হবে যথারীতি।

গত ২ এপ্রিল এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করে শিক্ষা বোর্ডগুলো। সময়সূচি অনুযায়ী ৩০ জুন বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে শুরু হয় এই পরীক্ষা। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১১ আগস্ট। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে। জানা গেছে, পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, পুনর্বিন্যাসকৃত সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচিতে অনুষ্ঠিত হবে এই পরীক্ষা।

শিক্ষাবোর্ডগুলো চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে—

★পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে।

★প্রথমে বহুনির্বাচনী ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

★৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল (সিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।

– ব্যবহারিক বিষয়সংবলিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে ২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২৫ মিনিট এবং ৫০ নম্বরের সৃজনশীল (সিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট।

– পরীক্ষা বিরতিহীনভাবে প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় পর্যন্ত চলবে। এমসিকিউ এবং সিকিউ উভয় অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।

– সকাল ১০টা থেকে অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে
সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে অলিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনী ওএমআর শিট বিতরণ।

– সকাল ১০টায় বহুনির্বাচনী প্রশ্নপত্র বিতরণ

– সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে বহুনির্বাচনী উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ; (২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনী পরীক্ষার ক্ষেত্রে এ সময় ১০টা ২৫ মিনিট)।
– বেলা ২টা থেকে অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে বেলা ১টা ৩০ মিনিটে অলিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনী ওএমআর শিট বিতরণ।

– বেলা ২টা বহুনির্বাচনী প্রশ্নপত্র বিতরণ;
বেলা ২টা ৩০ মিনিটে বহুনির্বাচনী উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ, (২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনী পরীক্ষার ক্ষেত্রে এ সময় ২টা ২৫ মিনিট)।

★প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।

★পরীক্ষার্থীরা তাঁদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানপ্রধানের কাছ থেকে সংগ্রহ করবেন।

★প্রত্যেক পরীক্ষার্থী সরবরাহকৃত উত্তরপত্রে তাঁর পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি ওএমআর ফরমে যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবেন। কোনো অবস্থাতেই মার্জিনের মধ্যে লেখা কিংবা অন্য কোনো প্রয়োজনে উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।

★পরীক্ষার্থীকে তত্ত্বীয়, বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক অংশে (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) পৃথকভাবে পাস করতে হবে।

★প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবল রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশপত্রে উল্লেখিত বিষয়/বিষয়সমূহের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন; কোনো অবস্থাতেই অন্য বিষয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।

★কোনো পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা নিজ কলেজ/প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হবে না, পরীক্ষার্থী স্থানান্তরের মাধ্যমে আসন বিন্যাস করতে হবে।

★পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর (নন–প্রোগ্রামেবল) ব্যবহার করতে পারবেন। প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না।

★পরীক্ষাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মুঠোফোন ব্যবহার করতে পারবেন না এবং কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে মুঠোফোন আনতে পারবেন না।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৪:৫৪:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুন ২০২৪
৫৩ বার পড়া হয়েছে

উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা

আপডেট সময় ০৪:৫৪:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুন ২০২৪

আজ রোববার সারা দেশে ২০২৪ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষা শুরু হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির কারণে শুধু সিলেট বিভাগের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত রয়েছে। তবে ৯ জুলাই থেকে যে পরীক্ষাগুলো হওয়ার কথা ছিল, সেগুলো হবে যথারীতি।

গত ২ এপ্রিল এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করে শিক্ষা বোর্ডগুলো। সময়সূচি অনুযায়ী ৩০ জুন বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে শুরু হয় এই পরীক্ষা। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১১ আগস্ট। এরপর ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে। জানা গেছে, পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, পুনর্বিন্যাসকৃত সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচিতে অনুষ্ঠিত হবে এই পরীক্ষা।

শিক্ষাবোর্ডগুলো চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে—

★পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে।

★প্রথমে বহুনির্বাচনী ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

★৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল (সিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।

– ব্যবহারিক বিষয়সংবলিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে ২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২৫ মিনিট এবং ৫০ নম্বরের সৃজনশীল (সিকিউ) পরীক্ষার ক্ষেত্রে সময় ২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট।

– পরীক্ষা বিরতিহীনভাবে প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় পর্যন্ত চলবে। এমসিকিউ এবং সিকিউ উভয় অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।

– সকাল ১০টা থেকে অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে
সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে অলিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনী ওএমআর শিট বিতরণ।

– সকাল ১০টায় বহুনির্বাচনী প্রশ্নপত্র বিতরণ

– সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে বহুনির্বাচনী উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ; (২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনী পরীক্ষার ক্ষেত্রে এ সময় ১০টা ২৫ মিনিট)।
– বেলা ২টা থেকে অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে বেলা ১টা ৩০ মিনিটে অলিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনী ওএমআর শিট বিতরণ।

– বেলা ২টা বহুনির্বাচনী প্রশ্নপত্র বিতরণ;
বেলা ২টা ৩০ মিনিটে বহুনির্বাচনী উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ, (২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনী পরীক্ষার ক্ষেত্রে এ সময় ২টা ২৫ মিনিট)।

★প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।

★পরীক্ষার্থীরা তাঁদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানপ্রধানের কাছ থেকে সংগ্রহ করবেন।

★প্রত্যেক পরীক্ষার্থী সরবরাহকৃত উত্তরপত্রে তাঁর পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি ওএমআর ফরমে যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবেন। কোনো অবস্থাতেই মার্জিনের মধ্যে লেখা কিংবা অন্য কোনো প্রয়োজনে উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।

★পরীক্ষার্থীকে তত্ত্বীয়, বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক অংশে (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) পৃথকভাবে পাস করতে হবে।

★প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবল রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশপত্রে উল্লেখিত বিষয়/বিষয়সমূহের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন; কোনো অবস্থাতেই অন্য বিষয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।

★কোনো পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা নিজ কলেজ/প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হবে না, পরীক্ষার্থী স্থানান্তরের মাধ্যমে আসন বিন্যাস করতে হবে।

★পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর (নন–প্রোগ্রামেবল) ব্যবহার করতে পারবেন। প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না।

★পরীক্ষাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মুঠোফোন ব্যবহার করতে পারবেন না এবং কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে মুঠোফোন আনতে পারবেন না।