ঢাকা ০৮:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কবর থেকে ৪২ দিন পর তোলা হলো যুবকের লাশ

মাসুদ রানা, গাইবান্ধা

নিহতের ৪২ দিন পর কবর থেকে সাদিক (২০) নামের এক যুবকের মরদেহ তোলা হয়েছে।

গত ১৯ এপ্রিল ২০২৪ ইং (শুক্রবার) সাদিক (২০) নামের এক যুবক তার ভাইয়ের শ্বশুরের বাসায় দাওয়াত খেতে যায় তার বন্ধু আকাশের সাথে।

সেদিন বিকেলে দাওয়াত খেয়ে বাড়িতে ফেরার পথে তাদের মোটরসাইকেল সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী ইউপির সোনারপাড়া নামক স্হানে ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে সাদিকের মৃত্যু হয়।

সাদিকের পরিবারের কেউই এই মৃত্যুকে স্বাভাবিক মৃত্যু মনে করছেন না। সাদিকের বড় ভাই সাংবাদিকদের জানান, এই ঘটনা যদি এক্সিডেন্ট হয়ে থাকে তাহলে গাড়ির কোন ক্ষয়ক্ষতি হলো না কেন? আর আমাদেরকে সর্বপ্রথম আকাশের বাবা বলেছেন আপনার ভাই ও আমার ছেলে দুইজনেই মোটরসাইকেল এক্সিডেন্টে মারা গেছে।

কিছুদিন পর আমরা জানতে পারি আকাশ এখনো বেঁচে আছে এবং সে পলাতক। এখন আমাদের সন্দেহ বাইক এক্সিডেন্টে যদি দুইজনেই মারা যান তাহলে আকাশ বেঁচে থাকেন কিভাবে? এবং আমার ভাই মারা যান কিভাবে? তাই আমরা আমার ভাইয়ের খুনের সঠিক বিচার পাওয়ার জন্য থানায় আকাশের বিরুদ্ধে মামলা করেছি। তারই প্রেক্ষিতে আজ কবর থেকে তদন্তের জন্য লাশ তোলা হয়।

সাদিকের ভাই মোশারফ হোসেন জানান, আমার সন্দেহ আকাশ আমার স্ত্রীকে পূর্বে একতরফা ভালোবেশে ছিল। তার জেরেই আমার ভাই সাদিক কে খুন করেছে আকাশ।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রেজাউল করিম বলেন, সাদিকের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে রংপুরে ফরেনসিক ল্যাবে টেস্টের জন্য পাঠানো হয়েছে।

 

নিহত সাদিকের বাড়ি গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের কোমরপুর গ্রামে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:৪৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ জুন ২০২৪
৫৯ বার পড়া হয়েছে

কবর থেকে ৪২ দিন পর তোলা হলো যুবকের লাশ

আপডেট সময় ১০:৪৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ জুন ২০২৪

নিহতের ৪২ দিন পর কবর থেকে সাদিক (২০) নামের এক যুবকের মরদেহ তোলা হয়েছে।

গত ১৯ এপ্রিল ২০২৪ ইং (শুক্রবার) সাদিক (২০) নামের এক যুবক তার ভাইয়ের শ্বশুরের বাসায় দাওয়াত খেতে যায় তার বন্ধু আকাশের সাথে।

সেদিন বিকেলে দাওয়াত খেয়ে বাড়িতে ফেরার পথে তাদের মোটরসাইকেল সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী ইউপির সোনারপাড়া নামক স্হানে ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে সাদিকের মৃত্যু হয়।

সাদিকের পরিবারের কেউই এই মৃত্যুকে স্বাভাবিক মৃত্যু মনে করছেন না। সাদিকের বড় ভাই সাংবাদিকদের জানান, এই ঘটনা যদি এক্সিডেন্ট হয়ে থাকে তাহলে গাড়ির কোন ক্ষয়ক্ষতি হলো না কেন? আর আমাদেরকে সর্বপ্রথম আকাশের বাবা বলেছেন আপনার ভাই ও আমার ছেলে দুইজনেই মোটরসাইকেল এক্সিডেন্টে মারা গেছে।

কিছুদিন পর আমরা জানতে পারি আকাশ এখনো বেঁচে আছে এবং সে পলাতক। এখন আমাদের সন্দেহ বাইক এক্সিডেন্টে যদি দুইজনেই মারা যান তাহলে আকাশ বেঁচে থাকেন কিভাবে? এবং আমার ভাই মারা যান কিভাবে? তাই আমরা আমার ভাইয়ের খুনের সঠিক বিচার পাওয়ার জন্য থানায় আকাশের বিরুদ্ধে মামলা করেছি। তারই প্রেক্ষিতে আজ কবর থেকে তদন্তের জন্য লাশ তোলা হয়।

সাদিকের ভাই মোশারফ হোসেন জানান, আমার সন্দেহ আকাশ আমার স্ত্রীকে পূর্বে একতরফা ভালোবেশে ছিল। তার জেরেই আমার ভাই সাদিক কে খুন করেছে আকাশ।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রেজাউল করিম বলেন, সাদিকের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে রংপুরে ফরেনসিক ল্যাবে টেস্টের জন্য পাঠানো হয়েছে।

 

নিহত সাদিকের বাড়ি গাইবান্ধা সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের কোমরপুর গ্রামে।