ঢাকা ০৮:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

‘কিছু শিখে আমরা তোতাপাখি হবো না, যোগ্যও হবো’ : ইবি উপাচার্য

ওয়াসিফ আল আবরার, ইবি

কোন কিছু শিখে আমরা শুধু তোতাপাখি হবো না, পাশাপাশি যোগ্যও হবো – বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম। তিনি বলেন, যেকোন প্রফেশনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে আমাদের অবশ্যই চর্চা বাড়াতে হবে।

রবিবার (১৯ মে) পরমাণুবিজ্ঞানী ড. এম. এ. ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান ভবনের ১০২ নম্বর কক্ষে ডিজিটাল স্কিলস ফর স্টুডেন্ট ট্রেনিং প্রোগ্রামে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি

ইবি উপাচার্য বলেন, এটি একটি ডাইনামিক এবং ট্রান্সফরমেটিভ প্রোগ্রাম যার উদ্দেশ্য আমাদের শিক্ষার্থীদের যোগ্য ও কর্মদক্ষ হিসেবে গড়ে তোলা। পাশাপাশি তাদের হাতে কলমে দক্ষতা ও জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করে তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করা এবং অর্জিত জ্ঞান কিভাবে কাজে লাগানো যায় তাও শেখানো। আইসিটি এবং সিএসই’র পাশাপাশি আমাদের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা এখানে উপস্থিত আছেন। এসবের ফলে অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীরাও সমান যোগ্য হয়ে যেকোন জায়গায় নিজেদের অবস্থান তৈরি করে নিতে পারবে। এভাবে যদি তরুণ প্রজন্মকে কাজে লাগানো যায় তবে স্মার্ট এবং স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলা সময়ের ব্যাপার।

ইবি উপাচার্য আরো বলেন, আমাদের যুবকরা যেন কর্মক্ষম হয়ে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গঠনে নিজেদের নিয়োজিত করতে পারে সেই লক্ষ্যেই এই আয়োজন। আমাদের অন্যের উপর নির্ভরশীলতা কমাতে হবে। দেখা যায় ১ জন কাজ করে বাকি ৫ জন তার উপর নির্ভর করে। এই নির্ভরতা কমানোর জন্য একাডেমিকের সাথে ইন্ডাস্ট্রিয়াল বিষয় যুক্ত করে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। এতে একজন মানুষ নিজের একটা জায়গা তৈরি করে নিতে পারবে এবং সেখানে একটি প্ল্যানিং থাকবে, উৎপাদন থাকবে এবং উৎকর্ষতা তৈরি হবে। পড়াশোনা করে আমরা অকেজো বা বোবা হয়ে থাকবো না। নিজেকে যোগ্য করে তুলতে আমাদের টিচিং, ট্রেইনিং এবং টেকনোলজির সমন্বয় সাধন করতে হবে। তবেই নিজেকে যোগ্য হিসেবে গড়ে তোলা যাবে।

এদিন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ডিজিটাল স্কিলস ফর স্টুডেন্ট ট্রেনিং প্রোগ্রামের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. রবিউল হকের সভাপতিত্বে এবং সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থী সোহানুর রহমান ও নাবিলা আনজুম নিশুর সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া, ডিজিটাল স্কিলস ফর স্টুডেন্ট ট্রেনিং প্রোগ্রামের সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. ফারুকুজ্জামান খান এবং ইডিজিই প্রজেক্টের স্মার্ট লিডারশীপ একাডেমির স্পেশালিস্ট ড. মাজহারুল হক, গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইসিটি ডিভিশনের ইডিজিই (এনহেন্সিং ডিজিটাল গভার্নমেন্ট এন্ড ইকোনমি) প্রজেক্টের পরিচালক এবং যুগ্ম-সচিব মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। স্পেশালিষ্ট হিসেবে বক্তব্য রাখেন সফট বিডি লিমিটেডের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার আতিকুল ইসলাম খান।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৪:১৮:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০২৪
৫৭ বার পড়া হয়েছে

‘কিছু শিখে আমরা তোতাপাখি হবো না, যোগ্যও হবো’ : ইবি উপাচার্য

আপডেট সময় ০৪:১৮:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০২৪

কোন কিছু শিখে আমরা শুধু তোতাপাখি হবো না, পাশাপাশি যোগ্যও হবো – বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম। তিনি বলেন, যেকোন প্রফেশনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে আমাদের অবশ্যই চর্চা বাড়াতে হবে।

রবিবার (১৯ মে) পরমাণুবিজ্ঞানী ড. এম. এ. ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান ভবনের ১০২ নম্বর কক্ষে ডিজিটাল স্কিলস ফর স্টুডেন্ট ট্রেনিং প্রোগ্রামে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি

ইবি উপাচার্য বলেন, এটি একটি ডাইনামিক এবং ট্রান্সফরমেটিভ প্রোগ্রাম যার উদ্দেশ্য আমাদের শিক্ষার্থীদের যোগ্য ও কর্মদক্ষ হিসেবে গড়ে তোলা। পাশাপাশি তাদের হাতে কলমে দক্ষতা ও জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করে তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করা এবং অর্জিত জ্ঞান কিভাবে কাজে লাগানো যায় তাও শেখানো। আইসিটি এবং সিএসই’র পাশাপাশি আমাদের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা এখানে উপস্থিত আছেন। এসবের ফলে অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীরাও সমান যোগ্য হয়ে যেকোন জায়গায় নিজেদের অবস্থান তৈরি করে নিতে পারবে। এভাবে যদি তরুণ প্রজন্মকে কাজে লাগানো যায় তবে স্মার্ট এবং স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলা সময়ের ব্যাপার।

ইবি উপাচার্য আরো বলেন, আমাদের যুবকরা যেন কর্মক্ষম হয়ে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গঠনে নিজেদের নিয়োজিত করতে পারে সেই লক্ষ্যেই এই আয়োজন। আমাদের অন্যের উপর নির্ভরশীলতা কমাতে হবে। দেখা যায় ১ জন কাজ করে বাকি ৫ জন তার উপর নির্ভর করে। এই নির্ভরতা কমানোর জন্য একাডেমিকের সাথে ইন্ডাস্ট্রিয়াল বিষয় যুক্ত করে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। এতে একজন মানুষ নিজের একটা জায়গা তৈরি করে নিতে পারবে এবং সেখানে একটি প্ল্যানিং থাকবে, উৎপাদন থাকবে এবং উৎকর্ষতা তৈরি হবে। পড়াশোনা করে আমরা অকেজো বা বোবা হয়ে থাকবো না। নিজেকে যোগ্য করে তুলতে আমাদের টিচিং, ট্রেইনিং এবং টেকনোলজির সমন্বয় সাধন করতে হবে। তবেই নিজেকে যোগ্য হিসেবে গড়ে তোলা যাবে।

এদিন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ডিজিটাল স্কিলস ফর স্টুডেন্ট ট্রেনিং প্রোগ্রামের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. রবিউল হকের সভাপতিত্বে এবং সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থী সোহানুর রহমান ও নাবিলা আনজুম নিশুর সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া, ডিজিটাল স্কিলস ফর স্টুডেন্ট ট্রেনিং প্রোগ্রামের সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. ফারুকুজ্জামান খান এবং ইডিজিই প্রজেক্টের স্মার্ট লিডারশীপ একাডেমির স্পেশালিস্ট ড. মাজহারুল হক, গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইসিটি ডিভিশনের ইডিজিই (এনহেন্সিং ডিজিটাল গভার্নমেন্ট এন্ড ইকোনমি) প্রজেক্টের পরিচালক এবং যুগ্ম-সচিব মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। স্পেশালিষ্ট হিসেবে বক্তব্য রাখেন সফট বিডি লিমিটেডের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার আতিকুল ইসলাম খান।