ঢাকা ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

খুলনায় ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে বন্টন করা হচ্ছে ব্লিচিং পাউডার

মামুনুর রশীদ রাজু, ব্যুরো চিফ (খুলনা)

খুলনায় কোরবানির ঈদকে ঘিরে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে সিটি কর্পোরেশন। কোরবানির পরবর্তী পরিচ্ছন্নতার লক্ষে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে বন্টন করা হচ্ছে ব্লিচিং পাউডার।

পরিবেশ জীবাণু মুক্ত রাখতে ব্লিচিং পাউডার বহুদিন ধরে ব্যবহার হয়ে আসলেও এর বিশেষ ব্যবহার দেখা যায় কোরবানির ঈদকে ঘিরে।

ঈদুল আজহার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ পশু কোরবানির পর পরিচ্ছন্নতার নিয়মগুলো ঠিকঠাক পালন করা জরুরী। তা না হলে পশুর রক্ত ও উচ্ছিষ্ট থেকে পরিবেশদূষণের মারাত্নক আশঙ্কা থেকে যায়। বেড়ে যায় রোগবালাই সংক্রমণের ঝুঁকি।

সঠিকভাবে বর্জ্য অপসারণ করা না হলে জন্মতে পারে নানা ধরনের ক্ষতিকর কীট, মশা, ব্যাকটেরিয়া কিংবা ভাইরাস। যা থেকে দেখা দিতে পারে নানা রকম রোগবালাই।

কোরবানির বর্জ্য থেকে পরিবেশ জীবাণু মুক্ত রাখতে শুধুমাত্র সিটি কর্পোরেশন সিস্টেমের উপর নির্ভরশীল না হয়ে প্রত্যেক নগরবাসীকেও হতে হবে সতর্ক।

কোরবানির পশুর বর্জ্য যেখানে-সেখানে ফেললে তা পচে চারদিকে দুর্গন্ধ ছড়ায়। অতিরিক্ত বর্জ্যের চাপে নর্দমা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে। কোরবানির বর্জ্য যেখানে-সেখানে ফেলা থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে।

কোরবানি পশু জবাই এবং মাংস কাটা কার্যক্রমের শেষে রক্তমাখা স্থান, রাস্তাঘাট, স্যাভলন মেশানো পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে পানি যেন কোনোভাবে জমে না থাকে। স্যানিটাইজার দিয়ে চারপাশ পরিষ্কার করে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখতে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করতে পারেন। তবে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহারে সতর্কতার প্রয়োজন। ব্যবহারের সময় গ্লাভস ব্যবহার করা জরুরী। যেন চোখে না যায়। ভুলভাবে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহারে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

কোরবানির উচ্ছিষ্টাংশ, বর্জ্য পলিথিনের ব্যাগে ভরে ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে। যত দ্রুত সম্ভব পশুর চামড়া বিক্রি কিংবা দান করতে হবে, গন্ধ ছড়ানোর আগেই।

শহরের ফ্ল্যাট বাড়িতে বসবাসরত কয়েকজন মিলে বাড়ির এক স্থানে কোরবানি করা এবং কোরবানির জন্য খোলামেলা জায়গা বা রাস্তার কাছে জায়গা নির্ধারণ করা ভালো। সে ক্ষেত্রে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বা বর্জ্য নিরসনে সিটি করপোরেশনের গাড়ি এসে সাহায্য করতে সহজ হবে।

বাড়ির আশপাশে পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি বাড়ির ভেতরের কথাও খেয়াল রাখা জরুরী। মাংস ঘরে আনার পর কাটা ও বাছাইয়ের জন্য অনেকেই ঘরের ভেতরের জায়গা ব্যবহার করেন। মাংস বণ্টন কার্যক্রম শেষে ভালোভাবে স্যাভলন বা ডিটারজেন্ট দিয়ে মেঝে পরিষ্কার করে ফেলতে হবে। বর্জ্য পরিষ্কারের পরে হাত, পা ও সারা শরীর সাবান দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করে গোসল করে নেওয়া ভিষণ গুরুত্বপূর্ণ।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৬:০৪:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪
৭৪ বার পড়া হয়েছে

খুলনায় ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে বন্টন করা হচ্ছে ব্লিচিং পাউডার

আপডেট সময় ০৬:০৪:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪

খুলনায় কোরবানির ঈদকে ঘিরে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে সিটি কর্পোরেশন। কোরবানির পরবর্তী পরিচ্ছন্নতার লক্ষে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে বন্টন করা হচ্ছে ব্লিচিং পাউডার।

পরিবেশ জীবাণু মুক্ত রাখতে ব্লিচিং পাউডার বহুদিন ধরে ব্যবহার হয়ে আসলেও এর বিশেষ ব্যবহার দেখা যায় কোরবানির ঈদকে ঘিরে।

ঈদুল আজহার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ পশু কোরবানির পর পরিচ্ছন্নতার নিয়মগুলো ঠিকঠাক পালন করা জরুরী। তা না হলে পশুর রক্ত ও উচ্ছিষ্ট থেকে পরিবেশদূষণের মারাত্নক আশঙ্কা থেকে যায়। বেড়ে যায় রোগবালাই সংক্রমণের ঝুঁকি।

সঠিকভাবে বর্জ্য অপসারণ করা না হলে জন্মতে পারে নানা ধরনের ক্ষতিকর কীট, মশা, ব্যাকটেরিয়া কিংবা ভাইরাস। যা থেকে দেখা দিতে পারে নানা রকম রোগবালাই।

কোরবানির বর্জ্য থেকে পরিবেশ জীবাণু মুক্ত রাখতে শুধুমাত্র সিটি কর্পোরেশন সিস্টেমের উপর নির্ভরশীল না হয়ে প্রত্যেক নগরবাসীকেও হতে হবে সতর্ক।

কোরবানির পশুর বর্জ্য যেখানে-সেখানে ফেললে তা পচে চারদিকে দুর্গন্ধ ছড়ায়। অতিরিক্ত বর্জ্যের চাপে নর্দমা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে। কোরবানির বর্জ্য যেখানে-সেখানে ফেলা থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে।

কোরবানি পশু জবাই এবং মাংস কাটা কার্যক্রমের শেষে রক্তমাখা স্থান, রাস্তাঘাট, স্যাভলন মেশানো পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে পানি যেন কোনোভাবে জমে না থাকে। স্যানিটাইজার দিয়ে চারপাশ পরিষ্কার করে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখতে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করতে পারেন। তবে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহারে সতর্কতার প্রয়োজন। ব্যবহারের সময় গ্লাভস ব্যবহার করা জরুরী। যেন চোখে না যায়। ভুলভাবে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহারে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

কোরবানির উচ্ছিষ্টাংশ, বর্জ্য পলিথিনের ব্যাগে ভরে ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে। যত দ্রুত সম্ভব পশুর চামড়া বিক্রি কিংবা দান করতে হবে, গন্ধ ছড়ানোর আগেই।

শহরের ফ্ল্যাট বাড়িতে বসবাসরত কয়েকজন মিলে বাড়ির এক স্থানে কোরবানি করা এবং কোরবানির জন্য খোলামেলা জায়গা বা রাস্তার কাছে জায়গা নির্ধারণ করা ভালো। সে ক্ষেত্রে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বা বর্জ্য নিরসনে সিটি করপোরেশনের গাড়ি এসে সাহায্য করতে সহজ হবে।

বাড়ির আশপাশে পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি বাড়ির ভেতরের কথাও খেয়াল রাখা জরুরী। মাংস ঘরে আনার পর কাটা ও বাছাইয়ের জন্য অনেকেই ঘরের ভেতরের জায়গা ব্যবহার করেন। মাংস বণ্টন কার্যক্রম শেষে ভালোভাবে স্যাভলন বা ডিটারজেন্ট দিয়ে মেঝে পরিষ্কার করে ফেলতে হবে। বর্জ্য পরিষ্কারের পরে হাত, পা ও সারা শরীর সাবান দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করে গোসল করে নেওয়া ভিষণ গুরুত্বপূর্ণ।