ঢাকা ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ডিমলায় তিস্তার পানি কমলে ও কমেনি ভাঙ্গন

মোঃ মামুন ডিমলা (নীলফামারী

সারা দেশে ঘনবৃষ্টির কারণে পানি বৃদ্ধি হওয়ায় শুরু হয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন্যা।সেই ধারাবাহিকতায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার খালিশা চাপানী ইউনিয়ন বাইশপুকুর গ্রামে পানি কমলে ও কমেনি নদী ভাঙ্গন। একদিকে নষ্ট হচ্ছে ফসলি জমি ও অন্যদিকে আতংকে রয়েছেন নদীর ধারে বসবাসকারীরা।

শুধু তাই নয়,বড়ধরনের ঝুকির মুখে রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ,মসজিদ, মন্দির ও চলাচলের একটি রাস্তা। যে রাস্তা দিয়ে অনেক লোক ডালিয়া ডিমলায় যাতায়াত করে। পানি একটু বৃদ্ধি হলেই তিস্তার পানি রাস্তা ছুঁইছুঁই হয়ে যায়।এলাকাবাসীরা বলেন যেভাবে নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে কখন যে বাড়িঘর ভেঙে যাবে তার কোন নিশ্চয়তা নাই।তিস্তা ব্যারেজের উত্তর পাশের গেইট সবসময় বন্ধ থাকার কারণে বাড়িতে পানির চাপ বেশি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। বিভিন্ন মহলে বহুদিন ধরে অনেক অভিযোগ করে আসতেছি কিন্তু কোন কাজ হয়না।এভাবে অনেক ফসলি জমি ও বাড়িঘর নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

ভাঙ্গনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ কোন পদক্ষেপ নানেওয়ায় দিন দিন ক্ষতির প্রবনতা বেড়েই যাচ্ছে।

উক্ত ওয়ার্ড ইউপি সদস্য রবিউল ইসলাম শিমুল বলেন পানি যত কমতছে ভাঙ্গন প্রবন্তা ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি আরও বলেন যে, ভাঙ্গনরোধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করায় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য আশ্বস্ত করেছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:০৯:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০২৪
৫৮ বার পড়া হয়েছে

ডিমলায় তিস্তার পানি কমলে ও কমেনি ভাঙ্গন

আপডেট সময় ০৯:০৯:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০২৪

সারা দেশে ঘনবৃষ্টির কারণে পানি বৃদ্ধি হওয়ায় শুরু হয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন্যা।সেই ধারাবাহিকতায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার খালিশা চাপানী ইউনিয়ন বাইশপুকুর গ্রামে পানি কমলে ও কমেনি নদী ভাঙ্গন। একদিকে নষ্ট হচ্ছে ফসলি জমি ও অন্যদিকে আতংকে রয়েছেন নদীর ধারে বসবাসকারীরা।

শুধু তাই নয়,বড়ধরনের ঝুকির মুখে রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ,মসজিদ, মন্দির ও চলাচলের একটি রাস্তা। যে রাস্তা দিয়ে অনেক লোক ডালিয়া ডিমলায় যাতায়াত করে। পানি একটু বৃদ্ধি হলেই তিস্তার পানি রাস্তা ছুঁইছুঁই হয়ে যায়।এলাকাবাসীরা বলেন যেভাবে নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে কখন যে বাড়িঘর ভেঙে যাবে তার কোন নিশ্চয়তা নাই।তিস্তা ব্যারেজের উত্তর পাশের গেইট সবসময় বন্ধ থাকার কারণে বাড়িতে পানির চাপ বেশি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। বিভিন্ন মহলে বহুদিন ধরে অনেক অভিযোগ করে আসতেছি কিন্তু কোন কাজ হয়না।এভাবে অনেক ফসলি জমি ও বাড়িঘর নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

ভাঙ্গনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ কোন পদক্ষেপ নানেওয়ায় দিন দিন ক্ষতির প্রবনতা বেড়েই যাচ্ছে।

উক্ত ওয়ার্ড ইউপি সদস্য রবিউল ইসলাম শিমুল বলেন পানি যত কমতছে ভাঙ্গন প্রবন্তা ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি আরও বলেন যে, ভাঙ্গনরোধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করায় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য আশ্বস্ত করেছেন।