ঢাকা ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ

তপন বাগচীর বাংলা একাডেমি পুরস্কার বাতিলের দাবি

মামুনর রশীদ রাজু, ব্যুরো চিফ (খুলনা)

 

অন্যদের সম্পাদনা করা বই থেকে হুবহু লেখা চুরি করে নিজের নামে বই প্রকাশ করার অভিযোগ তপন বাগচীর বিরুদ্ধে। দুই ভুক্তভোগী ইকবাল জাফর ও মহসীন দেওয়ান লিটন রবিবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তপন বাগচীর শাস্তি ও বাংলা একাডেমি পুরস্কার বাতিলের দাবি জানান।

তারা বলেন, আমাদের সংগৃহীত, সম্পাদিত, প্রকাশিত গীতিগ্রন্থ (‘মরমী সাধক মাতাল কবি আব্দুর রাজ্জাক দেওয়ান: বাউল অঞ্চলী, প্রথম খন্ড’) প্রকাশিত হয় ২০১৫ সালে। এবং অন্যটি স্মারকগ্রন্থ (মরমী সাধক মাতাল কবি আব্দুর রাজ্জাক দেওয়ান স্মারকগ্রন্থ: যদি ভুল বুঝে চলে যাও) প্রকাশিত হয় ২০২০ সালে। আর তপন বাগচী দুই বই থেকে কপি করে নিজের নামে বইটি প্রকাশ করেন ২০২২ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি। এবং ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা একাডেমি লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রকাশককে বইটি বিক্রি, প্রদর্শন ও বহন নিষিদ্ধ করে একটি নোটিশ দেয়। এরপর আর তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

সংবাদ সম্মেলনে তারা আরও বলেন, যার বিরুদ্ধে চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ রয়েছে তিনি কীভাবে বাংলা একাডেমির মতো একটি পুরস্কারে মনোনয়ন পান? তার মতো এমন একজন ব্যক্তিকে পুরস্কার দেওয়ার মাধ্যমে বাংলা একাডেমির মতো গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার কলঙ্কিত হোক আমরা তা চাই না। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে চাই অবিলম্বে তার এই পুরস্কারের মনোনয়ন বাতিল করে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে তার শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:৩৯:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৪
১৪৮ বার পড়া হয়েছে

চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ

তপন বাগচীর বাংলা একাডেমি পুরস্কার বাতিলের দাবি

আপডেট সময় ০৯:৩৯:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৪

 

অন্যদের সম্পাদনা করা বই থেকে হুবহু লেখা চুরি করে নিজের নামে বই প্রকাশ করার অভিযোগ তপন বাগচীর বিরুদ্ধে। দুই ভুক্তভোগী ইকবাল জাফর ও মহসীন দেওয়ান লিটন রবিবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তপন বাগচীর শাস্তি ও বাংলা একাডেমি পুরস্কার বাতিলের দাবি জানান।

তারা বলেন, আমাদের সংগৃহীত, সম্পাদিত, প্রকাশিত গীতিগ্রন্থ (‘মরমী সাধক মাতাল কবি আব্দুর রাজ্জাক দেওয়ান: বাউল অঞ্চলী, প্রথম খন্ড’) প্রকাশিত হয় ২০১৫ সালে। এবং অন্যটি স্মারকগ্রন্থ (মরমী সাধক মাতাল কবি আব্দুর রাজ্জাক দেওয়ান স্মারকগ্রন্থ: যদি ভুল বুঝে চলে যাও) প্রকাশিত হয় ২০২০ সালে। আর তপন বাগচী দুই বই থেকে কপি করে নিজের নামে বইটি প্রকাশ করেন ২০২২ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি। এবং ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা একাডেমি লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রকাশককে বইটি বিক্রি, প্রদর্শন ও বহন নিষিদ্ধ করে একটি নোটিশ দেয়। এরপর আর তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

সংবাদ সম্মেলনে তারা আরও বলেন, যার বিরুদ্ধে চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ রয়েছে তিনি কীভাবে বাংলা একাডেমির মতো একটি পুরস্কারে মনোনয়ন পান? তার মতো এমন একজন ব্যক্তিকে পুরস্কার দেওয়ার মাধ্যমে বাংলা একাডেমির মতো গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার কলঙ্কিত হোক আমরা তা চাই না। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে চাই অবিলম্বে তার এই পুরস্কারের মনোনয়ন বাতিল করে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে তার শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।