ঢাকা ০৬:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

দীর্ঘতম অপেক্ষার পর অবশেষে খুলনায় স্বস্তির বৃষ্টি

মামুনুর রশীদ রাজু, ব্যুরো চিফ (খুলনা)

প্রচন্ড তাপদাহে বিপর্যস্ত খুলনার জনজীবনে অবশেষে নেমে এলো বৃষ্টি। বিকেল থেকেই উত্তর-পশ্চিম আকাশ ঘিরে দেখা যায় মেঘ জমতে শুরু করেছে। বাতাসের ঝাপটাও ছিলো অনবরত। সন্ধ্যা ৬ টার দিকে দু’এক ফোটা বৃষ্টি ঝরলেও তখনো বাতাসে ধুলোর ঝড়। সোয়া ছয়টার দিকে ছোট ছোট বজ্রপাতের মধ্যদিয়ে ধীরে ধীরে শুরু হয় বৃষ্টি। এরপর বাড়তে থাকে মেঘের হুংকার, সেই সাথে মুষলধারে বৃষ্টি। শিলাবৃষ্টিও হয় অল্প কিছু সময়। সন্ধ্যা ৭ টার পর থেকে বজ্রপাত ও বৃষ্টির পরিমাণ কমতে থাকে।

দেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি তাপপ্রবাহের পর বিভিন্ন জায়গায় ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়েছে। তবে চরম মনোভাবাপন্ন আবহাওয়ার কবলে থাকা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা চুয়াডাঙ্গাতে কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা পাওয়ায় স্বস্তি মিলেছে দেশবাসীর মনে। সোমবার বেলা তিনটা ৪০ মিনিটে চুয়াডাঙ্গাতে শুরু হয় বৃষ্টি, সঙ্গে ঠান্ডা বাতাস।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সূত্র মতে বৃষ্টি চলে আসায় আগামী এক সপ্তাহ তাপমাত্রা আর বাড়ার সম্ভাবনা নেই। বিচ্ছিন্নভাবে এই এক সপ্তাহ সারাদেশে বৃষ্টিসহ বজ্রপাতের সম্ভাবনা আছে। এক সপ্তাহ পরে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে তবে তা সাম্প্রতিক সময়ের মত তীব্র হবে না বলেও জানা যায়।

এবার এপ্রিল মাস জুড়েই দেশের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে তাপপ্রবাহ, এতো দীর্ঘ সময় টানা তাপপ্রবাহ আর দেখা যায়নি। এরমধ্যেই ৫২ বছরের মধ্যে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় যশোর ও চুয়াডাঙ্গায় ৪৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তবে রোববার থেকে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ঝড়-বৃষ্টি শুরু হওয়ায় এদিন চুয়াডাঙ্গাসহ খুলনা বিভাগের তাপমাত্রা কমে কমে এসেছে। সোমবার  দুপুর ১২টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তরপশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০-৮০ কি.মি. বেগে বৃষ্টি/বজ্র বৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে দুই নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৭:৪০:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ মে ২০২৪
৮১ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘতম অপেক্ষার পর অবশেষে খুলনায় স্বস্তির বৃষ্টি

আপডেট সময় ০৭:৪০:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ মে ২০২৪

প্রচন্ড তাপদাহে বিপর্যস্ত খুলনার জনজীবনে অবশেষে নেমে এলো বৃষ্টি। বিকেল থেকেই উত্তর-পশ্চিম আকাশ ঘিরে দেখা যায় মেঘ জমতে শুরু করেছে। বাতাসের ঝাপটাও ছিলো অনবরত। সন্ধ্যা ৬ টার দিকে দু’এক ফোটা বৃষ্টি ঝরলেও তখনো বাতাসে ধুলোর ঝড়। সোয়া ছয়টার দিকে ছোট ছোট বজ্রপাতের মধ্যদিয়ে ধীরে ধীরে শুরু হয় বৃষ্টি। এরপর বাড়তে থাকে মেঘের হুংকার, সেই সাথে মুষলধারে বৃষ্টি। শিলাবৃষ্টিও হয় অল্প কিছু সময়। সন্ধ্যা ৭ টার পর থেকে বজ্রপাত ও বৃষ্টির পরিমাণ কমতে থাকে।

দেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি তাপপ্রবাহের পর বিভিন্ন জায়গায় ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়েছে। তবে চরম মনোভাবাপন্ন আবহাওয়ার কবলে থাকা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা চুয়াডাঙ্গাতে কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির দেখা পাওয়ায় স্বস্তি মিলেছে দেশবাসীর মনে। সোমবার বেলা তিনটা ৪০ মিনিটে চুয়াডাঙ্গাতে শুরু হয় বৃষ্টি, সঙ্গে ঠান্ডা বাতাস।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সূত্র মতে বৃষ্টি চলে আসায় আগামী এক সপ্তাহ তাপমাত্রা আর বাড়ার সম্ভাবনা নেই। বিচ্ছিন্নভাবে এই এক সপ্তাহ সারাদেশে বৃষ্টিসহ বজ্রপাতের সম্ভাবনা আছে। এক সপ্তাহ পরে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে তবে তা সাম্প্রতিক সময়ের মত তীব্র হবে না বলেও জানা যায়।

এবার এপ্রিল মাস জুড়েই দেশের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে তাপপ্রবাহ, এতো দীর্ঘ সময় টানা তাপপ্রবাহ আর দেখা যায়নি। এরমধ্যেই ৫২ বছরের মধ্যে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় যশোর ও চুয়াডাঙ্গায় ৪৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তবে রোববার থেকে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ঝড়-বৃষ্টি শুরু হওয়ায় এদিন চুয়াডাঙ্গাসহ খুলনা বিভাগের তাপমাত্রা কমে কমে এসেছে। সোমবার  দুপুর ১২টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তরপশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০-৮০ কি.মি. বেগে বৃষ্টি/বজ্র বৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে দুই নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।