ঢাকা ০৭:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী হেনস্থার অভিযোগে উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন

মোঃ সাহাদাৎ হোসেন, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক সাজন সাহা কর্তৃক উক্ত বিভাগের এক ছাত্রী হেনস্তার ঘটনায় ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বুধবার (৬ মার্চ) নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়, ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা’ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব সাজন সাহা এর বিরুদ্ধে তাদের সাথে বিভিন্ন ধরনের অশোভন আচরণ ও হয়রানি করার অভিযোগ দাখিল করেছেন। এ ঘটনার পূর্বাপর তদন্তপূর্বক একটি প্রতিবেদন দাখিলের জন্য উপাচার্য মহোদয় নিম্নোক্ত ‘উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন তদন্ত কমিটি’ গঠন করছেন।’

উক্ত আদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ও সিন্ডিকেট সদস্য প্রফেসর ড. আতাউর রহমানকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ঠ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ও সিন্ডিকেট সদস্য উম্মে সালমা তানজিয়া ও শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজের অধ্যক্ষ ও সিন্ডিকেট সদস্য ড. এ কে এম আব্দুর রফিক।

উল্লেখ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী শিক্ষক সাজন সাহার বিরুদ্ধে মেসেজের মাধ্যমে উত্ত্যক্ত ও বিভিন্নভাবে হয়রানি করার অভিযোগ তুলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সৈয়দা সানজানা আহসান ছোঁয়া।
ভুক্তভোগী সৈয়দা সানজানা আহসান ছোঁয়া শিক্ষক সাজন সাহার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন, সাজন সাহা ২০১৯ সাল থেকেই তাকে বিভিন্ন ধরনের অশোভন মেসেজ দিতেন, মধ্যরাতে চা খেতে ডাকতেন।
এছাড়াও নাম্বার টেম্পারিং এর অভিযোগ তুলেন ভুক্তভোগী। বিভাগটির বিভাগীয় প্রধান রেজওয়ান আহমেদ শুভ্রের নামেও অভিযোগ তুলে বলেন, রেজওয়ান আহমেদ শুভ্র ছোঁয়াকে ভালো রেজাল্টের লোভ দেখিয়ে বিভাগের অপর দুই শিক্ষক রিমন সরকার ও ফাহমিদা সুলতানার নামে মিথ্যা অভিযোগ দিতে বলেন। বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবাদ ও অভিযুক্ত শিক্ষকের বহিস্কার দাবী জানায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ছোঁয়া সশরীরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর লিখিত অভিযোগ দেয়।

এদিন সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবীতে বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগে তালা দেয়া সহ, সন্ধ্যায় মোমবাতি প্রজ্বলন করে শিক্ষার্থীরা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:৩৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ ২০২৪
৬৯ বার পড়া হয়েছে

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী হেনস্থার অভিযোগে উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন

আপডেট সময় ১১:৩৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ ২০২৪

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক সাজন সাহা কর্তৃক উক্ত বিভাগের এক ছাত্রী হেনস্তার ঘটনায় ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বুধবার (৬ মার্চ) নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়, ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা’ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব সাজন সাহা এর বিরুদ্ধে তাদের সাথে বিভিন্ন ধরনের অশোভন আচরণ ও হয়রানি করার অভিযোগ দাখিল করেছেন। এ ঘটনার পূর্বাপর তদন্তপূর্বক একটি প্রতিবেদন দাখিলের জন্য উপাচার্য মহোদয় নিম্নোক্ত ‘উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন তদন্ত কমিটি’ গঠন করছেন।’

উক্ত আদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ও সিন্ডিকেট সদস্য প্রফেসর ড. আতাউর রহমানকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ঠ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ও সিন্ডিকেট সদস্য উম্মে সালমা তানজিয়া ও শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজের অধ্যক্ষ ও সিন্ডিকেট সদস্য ড. এ কে এম আব্দুর রফিক।

উল্লেখ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী শিক্ষক সাজন সাহার বিরুদ্ধে মেসেজের মাধ্যমে উত্ত্যক্ত ও বিভিন্নভাবে হয়রানি করার অভিযোগ তুলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সৈয়দা সানজানা আহসান ছোঁয়া।
ভুক্তভোগী সৈয়দা সানজানা আহসান ছোঁয়া শিক্ষক সাজন সাহার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন, সাজন সাহা ২০১৯ সাল থেকেই তাকে বিভিন্ন ধরনের অশোভন মেসেজ দিতেন, মধ্যরাতে চা খেতে ডাকতেন।
এছাড়াও নাম্বার টেম্পারিং এর অভিযোগ তুলেন ভুক্তভোগী। বিভাগটির বিভাগীয় প্রধান রেজওয়ান আহমেদ শুভ্রের নামেও অভিযোগ তুলে বলেন, রেজওয়ান আহমেদ শুভ্র ছোঁয়াকে ভালো রেজাল্টের লোভ দেখিয়ে বিভাগের অপর দুই শিক্ষক রিমন সরকার ও ফাহমিদা সুলতানার নামে মিথ্যা অভিযোগ দিতে বলেন। বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবাদ ও অভিযুক্ত শিক্ষকের বহিস্কার দাবী জানায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ছোঁয়া সশরীরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর লিখিত অভিযোগ দেয়।

এদিন সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবীতে বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগে তালা দেয়া সহ, সন্ধ্যায় মোমবাতি প্রজ্বলন করে শিক্ষার্থীরা।