ঢাকা ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে মোবাইল ব্যাংকিং চ্যানেলে বৃত্তি প্রদান শুরু

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ অর্থ বছরেরে অভ্যন্তরীণ বৃত্তি প্রদান কার্যক্রম মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মধ্যদিয়ে শুরু হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (৫ মার্চ) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরের কার্যালয়ে এই কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. সৌমিত্র শেখর। ফলশ্রুতিতে ঘরে বসেই শিক্ষার্থীরা তাদের বৃত্তির টাকা হাতে পাবেন।এর মধ্য দিয়ে স্মার্ট আর্থিক লেনদেন কার্যক্রম আরও একধাপ এগিয়ে গেল।

বৃত্তিপ্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করে মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. সৌমিত্র শেখর বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি তাদের হাতে যথাযথভাবে যথাসময়ে পৌঁছানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি সেটি হলোÑআধুনিক ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে অর্থ হস্তান্তর। আগে যেটি তাদের সশরীরে এসে নিতে হতো এখন ঘরে বসে তারা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে হাতে পাবে। আমরা এভাবে স্মার্ট ক্যাম্পাস গড়ার ক্ষেত্রে এক ধাপ এগিয়ে গেলাম। আশা করছি ভবিষ্যতে এটি আরো বেগবান হবে।

তিনি বলেন, ছাত্রছাত্রীদের আমরা বলবো তারা যাতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সোনালী ব্যাংকের শাখায় নিজের একটি অ্যাকাউন্ট করে ফেলে। আর যাদের ইতোমধ্যে অ্যাকাউন্ট আছে সেটি তারা আমাদের জানায়। ভবিষ্যতে আমাদের সমস্ত কাজ অনলাইনে করতে চাই। শিক্ষার্থীদের বেতন দেওয়া, আর্থিক যে পাওনাদি লেনদেন ব্যাংকিং সেক্টরের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পরিষেবা গ্রহণের মধ্য দিয়েই করবো।

রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে জানানো হয়, ২০২২-২৩ অর্থ বছরে মোট বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ৫৭৬ জন। এর মধ্যে মেধায় ১৭৩ জন, সাধারণ ৩৮০ জন ও প্রতিবন্ধি ক্যাটাগরিতে ২৩ জন বৃত্তিপ্রাপ্ত হয়েছেন। মেধায় বৃত্তিপ্রাপ্তরা ৩৫০০ টাকা ও সাধারণ/প্রতিবন্ধী কোটায় ২৭০০ টাকা করে বৃত্তিপ্রাপ্ত হবেন। বিকাশ/নগদের মাধ্যমে বৃত্তিপ্রাপ্তদের মোবাইলে বৃত্তির টাকা পাঠানো হবে।

এই মেধাবৃত্তি প্রসঙ্গে রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিবছর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেধাবৃত্তি প্রদান করা হয়। অন্য বছর তাদেরকে নোটিশ দিয়ে অফিসে ডেকে এনে দেওয়া হতো এটি কিন্তু এবার অনলাইনে মোবাইল ট্রান্সফারের মধ্য দিয়ে করা হচ্ছে। মাননীয় উপাচার্য স্যার এই বৃত্তি প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন। এতে করে তাদের এখানে আসা যাওয়ার যে ঝক্কি ঝামেলা সেটি আর থাকছে না। পরবর্তীকে এটিকে আরও বেশি সহজতর করার জন্য আমরা শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সোনালী ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য উদ্বুদ্ধ করবো। তখন তাদের বৃত্তির টাকা সেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে চলে যাবে ও যখন ইচ্ছে তখন তারা সেই টাকা উত্তোলন করতে পারবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:০৯:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০২৪
১৪৪ বার পড়া হয়েছে

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে মোবাইল ব্যাংকিং চ্যানেলে বৃত্তি প্রদান শুরু

আপডেট সময় ০৮:০৯:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০২৪

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ অর্থ বছরেরে অভ্যন্তরীণ বৃত্তি প্রদান কার্যক্রম মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মধ্যদিয়ে শুরু হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (৫ মার্চ) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরের কার্যালয়ে এই কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. সৌমিত্র শেখর। ফলশ্রুতিতে ঘরে বসেই শিক্ষার্থীরা তাদের বৃত্তির টাকা হাতে পাবেন।এর মধ্য দিয়ে স্মার্ট আর্থিক লেনদেন কার্যক্রম আরও একধাপ এগিয়ে গেল।

বৃত্তিপ্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করে মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. সৌমিত্র শেখর বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি তাদের হাতে যথাযথভাবে যথাসময়ে পৌঁছানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি সেটি হলোÑআধুনিক ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে অর্থ হস্তান্তর। আগে যেটি তাদের সশরীরে এসে নিতে হতো এখন ঘরে বসে তারা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে হাতে পাবে। আমরা এভাবে স্মার্ট ক্যাম্পাস গড়ার ক্ষেত্রে এক ধাপ এগিয়ে গেলাম। আশা করছি ভবিষ্যতে এটি আরো বেগবান হবে।

তিনি বলেন, ছাত্রছাত্রীদের আমরা বলবো তারা যাতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সোনালী ব্যাংকের শাখায় নিজের একটি অ্যাকাউন্ট করে ফেলে। আর যাদের ইতোমধ্যে অ্যাকাউন্ট আছে সেটি তারা আমাদের জানায়। ভবিষ্যতে আমাদের সমস্ত কাজ অনলাইনে করতে চাই। শিক্ষার্থীদের বেতন দেওয়া, আর্থিক যে পাওনাদি লেনদেন ব্যাংকিং সেক্টরের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পরিষেবা গ্রহণের মধ্য দিয়েই করবো।

রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে জানানো হয়, ২০২২-২৩ অর্থ বছরে মোট বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ৫৭৬ জন। এর মধ্যে মেধায় ১৭৩ জন, সাধারণ ৩৮০ জন ও প্রতিবন্ধি ক্যাটাগরিতে ২৩ জন বৃত্তিপ্রাপ্ত হয়েছেন। মেধায় বৃত্তিপ্রাপ্তরা ৩৫০০ টাকা ও সাধারণ/প্রতিবন্ধী কোটায় ২৭০০ টাকা করে বৃত্তিপ্রাপ্ত হবেন। বিকাশ/নগদের মাধ্যমে বৃত্তিপ্রাপ্তদের মোবাইলে বৃত্তির টাকা পাঠানো হবে।

এই মেধাবৃত্তি প্রসঙ্গে রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিবছর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেধাবৃত্তি প্রদান করা হয়। অন্য বছর তাদেরকে নোটিশ দিয়ে অফিসে ডেকে এনে দেওয়া হতো এটি কিন্তু এবার অনলাইনে মোবাইল ট্রান্সফারের মধ্য দিয়ে করা হচ্ছে। মাননীয় উপাচার্য স্যার এই বৃত্তি প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন। এতে করে তাদের এখানে আসা যাওয়ার যে ঝক্কি ঝামেলা সেটি আর থাকছে না। পরবর্তীকে এটিকে আরও বেশি সহজতর করার জন্য আমরা শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সোনালী ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য উদ্বুদ্ধ করবো। তখন তাদের বৃত্তির টাকা সেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে চলে যাবে ও যখন ইচ্ছে তখন তারা সেই টাকা উত্তোলন করতে পারবে।