ঢাকা ০৮:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে গুচ্ছের ‘বি’ (মানবিক) ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

মোঃ সাহাদাৎ হোসেন, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়

জিএসটি (সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি) গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ‘বি’ (মানবিক) ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুক্রবার (০৩ মে) নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত অত্যন্ত সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে এই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

ভর্তি পরীক্ষা শুরুর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. সৌমিত্র শেখর কেন্দ্রের বিভিন্ন কক্ষ পরিদর্শন করেন। উল্লেখ্য, মাননীয় উপাচার্য পরীক্ষা চলাকালে কোনো পরীক্ষা-হলে প্রবেশ করেননি। তিনি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষা কার্যক্রম তদারকি করেন। অভিভাবকদের সঙ্গে গিয়ে মতবিনিময় করেন।

এ সময় ভিজিল্যান্স উপ-কমিটির সদস্য ট্রেজারার প্রফেসর ড. আতাউর রহমান, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. নজরুল ইসলাম, কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুশাররাত শবনম, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. উজ্জ্বল কুমার প্রধান, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. রিয়াদ হাসান, চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. তপন কুমার সরকার, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হুমায়ুন কবীর, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোসাম্মৎ জান্নাতুল ফেরদৌস, প্রক্টর সঞ্জয় কুমার মুখার্জী, শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. তুষার কান্তি সাহা, ডিরেক্ট অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. জালাল উদ্দিন, কর্মকর্তা পরিষদের সভাপতি মোকারেরম হোসেন মাসুমসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. সৌমিত্র শেখর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবিধান আঙিনাতে গণমাধ্যমের সঙ্গে মত বিনিময় করেন। তিনি বলেন, আমরা একটি কেন্দ্র হিসেবে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়কে সকলের আস্থার জায়গায় নিয়ে যেতে চাই। বিশেষ করে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের যেন একটি সেকেন্ডও নষ্ট না হয় সেজন্য আমরা ভিজিল্যান্স টিমের কোনো সদস্যই আমাদের নীতিগত সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে পরীক্ষা কক্ষে প্রবেশ করিনি।

এসময় তিনি বলেন, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে কোনো উপকেন্দ্র নাই। আমরা আমাদের ক্যাম্পাস কেন্দ্রে গুচ্ছভর্তি পরীক্ষা অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে গ্রহণ করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা শৃঙ্খলার সাথে পরীক্ষা কক্ষে প্রবেশ করেছে। প্রত্যাবেক্ষকেরা সুন্দর করে পরীক্ষা নিয়েছে। এবার যত সংখ্যক পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ভবিষ্যতে আরো বেশি সংখ্যক পরীক্ষার্থী এ কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা দিতে পারবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি। অর্থাৎ একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় দাঁড়িয়ে গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, ছাত্রছাত্রী ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় অত্যন্ত শৃঙ্খলার সাথে পরীক্ষা গ্রহণ সম্ভব হয়েছে মন্তব্য করে ড. সৌমিত্র শেখর আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী, ছাত্রছাত্রী, ছাত্রলীগ, ছাত্রদের বিভিন্ন ক্রিয়াশীল সংগঠন, স্থানীয় প্রশাসন, জনগণ, সাংবাদিকবৃন্দ সবাই আমাদেরকে পরীক্ষা আয়োজনে ওতোপ্রোতভাবে সহযোগিতা করছেন। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কিছু গুরুত্ব¡পূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন যা প্রশংসার যোগ্য। মোটকথা সকলের সহযোগিতা পাওয়ার মধ্যদিয়েই আমাদের এই ভর্তি পরীক্ষা অত্যন্ত আনন্দমুখর ভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ জন্য আমি সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও পরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় দায়িতপ্রাপ্তদের কাজ দেখে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। পরীক্ষার সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ দেখে উপস্থিত অভিভাবকরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি তাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ ভবন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবন ও নব নির্মিত একাডেমিক ভবনে ‘বি’ (মানবিক) ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ভর্তি পরীক্ষার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল। পরীক্ষাকেন্দ্র ও তার আশেপাশে ১৪৪ ধারা কার্যকর ছিল। ক্যাম্পাসে আগত অতিথিদের বিশ্রাম ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা প্রশাসন থেকে করা হয়েছিল। রাস্তার যানযট নিয়ন্ত্রণ ও আগত অতিথিদের সহায়ার্থে একটি স্বেচ্ছাসেবক দলও নিরলস কাজ করে।

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে ৮হাজার ১শ ৩৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৭ হাজার ৫ শত ০১ জন। অনুপস্থিত ৬ শত ৩৭ জন। উপস্থিতির হার ৯২.১৭ শতাংশ।

প্রসঙ্গত, ১০ মে শুক্রবার ১১ টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ‘সি’ (বাণিজ্য) ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ‘সি’ (বাণিজ্য) ইউনিটের পরীক্ষায় ১ হাজার ১শ ৯৭ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিবেন। প্রতিটি ইউনিটের ফলাফল জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। মেধা তালিকায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দমত তালিকাভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যোগ্যতাসাপেক্ষে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয় তাদের আসন সংখ্যার সামর্থ্যরে উপর ভিত্তি করে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে। এবার নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫টি বিভাগে ১১১০টি আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৪:০৯:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মে ২০২৪
৬০ বার পড়া হয়েছে

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে গুচ্ছের ‘বি’ (মানবিক) ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ০৪:০৯:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মে ২০২৪

জিএসটি (সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি) গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ‘বি’ (মানবিক) ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুক্রবার (০৩ মে) নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত অত্যন্ত সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে এই ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

ভর্তি পরীক্ষা শুরুর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. সৌমিত্র শেখর কেন্দ্রের বিভিন্ন কক্ষ পরিদর্শন করেন। উল্লেখ্য, মাননীয় উপাচার্য পরীক্ষা চলাকালে কোনো পরীক্ষা-হলে প্রবেশ করেননি। তিনি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষা কার্যক্রম তদারকি করেন। অভিভাবকদের সঙ্গে গিয়ে মতবিনিময় করেন।

এ সময় ভিজিল্যান্স উপ-কমিটির সদস্য ট্রেজারার প্রফেসর ড. আতাউর রহমান, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. নজরুল ইসলাম, কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুশাররাত শবনম, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. উজ্জ্বল কুমার প্রধান, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. রিয়াদ হাসান, চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. তপন কুমার সরকার, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হুমায়ুন কবীর, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোসাম্মৎ জান্নাতুল ফেরদৌস, প্রক্টর সঞ্জয় কুমার মুখার্জী, শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. তুষার কান্তি সাহা, ডিরেক্ট অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. জালাল উদ্দিন, কর্মকর্তা পরিষদের সভাপতি মোকারেরম হোসেন মাসুমসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. সৌমিত্র শেখর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবিধান আঙিনাতে গণমাধ্যমের সঙ্গে মত বিনিময় করেন। তিনি বলেন, আমরা একটি কেন্দ্র হিসেবে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়কে সকলের আস্থার জায়গায় নিয়ে যেতে চাই। বিশেষ করে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের যেন একটি সেকেন্ডও নষ্ট না হয় সেজন্য আমরা ভিজিল্যান্স টিমের কোনো সদস্যই আমাদের নীতিগত সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে পরীক্ষা কক্ষে প্রবেশ করিনি।

এসময় তিনি বলেন, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে কোনো উপকেন্দ্র নাই। আমরা আমাদের ক্যাম্পাস কেন্দ্রে গুচ্ছভর্তি পরীক্ষা অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে গ্রহণ করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা শৃঙ্খলার সাথে পরীক্ষা কক্ষে প্রবেশ করেছে। প্রত্যাবেক্ষকেরা সুন্দর করে পরীক্ষা নিয়েছে। এবার যত সংখ্যক পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ভবিষ্যতে আরো বেশি সংখ্যক পরীক্ষার্থী এ কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা দিতে পারবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি। অর্থাৎ একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় দাঁড়িয়ে গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, ছাত্রছাত্রী ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় অত্যন্ত শৃঙ্খলার সাথে পরীক্ষা গ্রহণ সম্ভব হয়েছে মন্তব্য করে ড. সৌমিত্র শেখর আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী, ছাত্রছাত্রী, ছাত্রলীগ, ছাত্রদের বিভিন্ন ক্রিয়াশীল সংগঠন, স্থানীয় প্রশাসন, জনগণ, সাংবাদিকবৃন্দ সবাই আমাদেরকে পরীক্ষা আয়োজনে ওতোপ্রোতভাবে সহযোগিতা করছেন। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কিছু গুরুত্ব¡পূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন যা প্রশংসার যোগ্য। মোটকথা সকলের সহযোগিতা পাওয়ার মধ্যদিয়েই আমাদের এই ভর্তি পরীক্ষা অত্যন্ত আনন্দমুখর ভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ জন্য আমি সবাইকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও পরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় দায়িতপ্রাপ্তদের কাজ দেখে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। পরীক্ষার সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ দেখে উপস্থিত অভিভাবকরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি তাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ ভবন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবন ও নব নির্মিত একাডেমিক ভবনে ‘বি’ (মানবিক) ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ভর্তি পরীক্ষার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল। পরীক্ষাকেন্দ্র ও তার আশেপাশে ১৪৪ ধারা কার্যকর ছিল। ক্যাম্পাসে আগত অতিথিদের বিশ্রাম ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা প্রশাসন থেকে করা হয়েছিল। রাস্তার যানযট নিয়ন্ত্রণ ও আগত অতিথিদের সহায়ার্থে একটি স্বেচ্ছাসেবক দলও নিরলস কাজ করে।

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে ৮হাজার ১শ ৩৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৭ হাজার ৫ শত ০১ জন। অনুপস্থিত ৬ শত ৩৭ জন। উপস্থিতির হার ৯২.১৭ শতাংশ।

প্রসঙ্গত, ১০ মে শুক্রবার ১১ টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ‘সি’ (বাণিজ্য) ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ‘সি’ (বাণিজ্য) ইউনিটের পরীক্ষায় ১ হাজার ১শ ৯৭ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিবেন। প্রতিটি ইউনিটের ফলাফল জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। মেধা তালিকায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দমত তালিকাভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যোগ্যতাসাপেক্ষে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয় তাদের আসন সংখ্যার সামর্থ্যরে উপর ভিত্তি করে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে। এবার নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫টি বিভাগে ১১১০টি আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।