ঢাকা ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ৬ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নোবিপ্রবি ও সোনালী ব্যাংক পিএলসির চুক্তি স্বাক্ষরিত

আবদুল্লাহ আল মামুন , নোবিপ্রবি

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) ও সোনালী ব্যাংক পিএলসির মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ চুক্তির আওতায় ব্যাংকটির সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ের (SPG) মাধ্যমে নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের নিকট হতে যাবতীয় বেতন/ফি, চার্জ আদায়করণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি ) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ দিদার-উল-আলম।

অনুষ্ঠানে নোবিপ্রবির পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার জনাব মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন এবং সোনালী ব্যাংক পিএলসির পক্ষে স্বাক্ষর করেন সোনালী ব্যাংক পিএলসির নোয়াখালী শাখার জেনারেল ম্যানেজার জনাব মোঃ শাহজাহান।

সোনালী ব্যাংক পিএলসির নোয়াখালী কর্পোরেট শাখার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার জনাব মোহাম্মদ আবদুল মতিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নোবিপ্রবির মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর। এছাড়াও অন্যন্যদের মধ্যে নোবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এস এম মাহবুবুর রহমান, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আনিসুজ্জামান, নোবিপ্রবি অফিসার্স এসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জনাব মোঃ জিয়াউর রহমান ভূঁইয়া সম্রাট, সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ ইবনে ওয়াজিদ ইসলাম ইমন, নোবিপ্রবি আইকিউএসির উপ-পরিচালক জনাব মোহাইমিনুল ইসলাম সেলিম উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সোনালী ব্যাংক পিএলসির নোয়াখালী কর্পোরেট শাখার সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার জনাব মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন।

অনুষ্ঠানে নোবিপ্রবির মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ দিদার-উল-আলম বলেন, আজকের সোনালী ব্যাংক পিএলসির সাথে নোবিপ্রবির এই চুক্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সহজ পদ্ধতিতে তাদের ভর্তি ফি ও সেমিস্টার ফিসহ বিভিন্ন ফি-বেতন প্রদান করতে পারবে। আমি মনে করি, এই চুক্তির মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের সাথে নোবিপ্রবির সম্পর্ক উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে ও জোরদার হবে। এ চুক্তি স্বাক্ষরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের অঙ্গীকার করেছিলেন, যা এখন দৃশ্যমান। তিনি ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের পদক্ষেপ নিয়েছেন। আমরা সেই পথেই এগিয়ে যাচ্ছি। বর্তমান সরকার কাগজবিহীন অর্থনীতিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। আজকের এই চুক্তির মাধ্যমে কাগজবিহীন অর্থনীতির পথে আরও এক ধাপ এগোল নোবিপ্রবি। সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।

জনাব মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের যাবতীয় চার্জ বা ফি প্রদান করতে হতো কাগজের মাধ্যমে যা ছিল সময়সাপেক্ষ। এই চুক্তির মাধ্যমে অনলাইনে সকল প্রকার ফি প্রদান করতে পারবে শিক্ষার্থীরা। আজকের এই আয়োজনের সফলতা কামনা করছি।

জনাব মোঃ শাহজাহান বলেন, সোনালী ব্যাংক ডিজিটাল বাংলাদেশ তথা স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। ব্যাংকিং সেবাগুলোকে কীভাবে আরও ডিজিটালাইজ করা যায় এবং গ্রাহকবান্ধব করা যায় সে লক্ষ্যে কাজ করছে। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা প্রণয়ন করেছি সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ে। এই গেটওয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা খুব সহজেই ভর্তি ফি, সেমিস্টার ফি ইত্যাদি প্রদান করতে পারবে। আজ সোনালী ব্যংক এবং নোবিপ্রবির মধ্যে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে তাতে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১০:৫০:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
৯১ বার পড়া হয়েছে

নোবিপ্রবি ও সোনালী ব্যাংক পিএলসির চুক্তি স্বাক্ষরিত

আপডেট সময় ১০:৫০:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) ও সোনালী ব্যাংক পিএলসির মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ চুক্তির আওতায় ব্যাংকটির সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ের (SPG) মাধ্যমে নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের নিকট হতে যাবতীয় বেতন/ফি, চার্জ আদায়করণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি ) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ দিদার-উল-আলম।

অনুষ্ঠানে নোবিপ্রবির পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার জনাব মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন এবং সোনালী ব্যাংক পিএলসির পক্ষে স্বাক্ষর করেন সোনালী ব্যাংক পিএলসির নোয়াখালী শাখার জেনারেল ম্যানেজার জনাব মোঃ শাহজাহান।

সোনালী ব্যাংক পিএলসির নোয়াখালী কর্পোরেট শাখার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার জনাব মোহাম্মদ আবদুল মতিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নোবিপ্রবির মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর। এছাড়াও অন্যন্যদের মধ্যে নোবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এস এম মাহবুবুর রহমান, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আনিসুজ্জামান, নোবিপ্রবি অফিসার্স এসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জনাব মোঃ জিয়াউর রহমান ভূঁইয়া সম্রাট, সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ ইবনে ওয়াজিদ ইসলাম ইমন, নোবিপ্রবি আইকিউএসির উপ-পরিচালক জনাব মোহাইমিনুল ইসলাম সেলিম উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সোনালী ব্যাংক পিএলসির নোয়াখালী কর্পোরেট শাখার সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার জনাব মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন।

অনুষ্ঠানে নোবিপ্রবির মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ দিদার-উল-আলম বলেন, আজকের সোনালী ব্যাংক পিএলসির সাথে নোবিপ্রবির এই চুক্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সহজ পদ্ধতিতে তাদের ভর্তি ফি ও সেমিস্টার ফিসহ বিভিন্ন ফি-বেতন প্রদান করতে পারবে। আমি মনে করি, এই চুক্তির মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের সাথে নোবিপ্রবির সম্পর্ক উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে ও জোরদার হবে। এ চুক্তি স্বাক্ষরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের অঙ্গীকার করেছিলেন, যা এখন দৃশ্যমান। তিনি ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের পদক্ষেপ নিয়েছেন। আমরা সেই পথেই এগিয়ে যাচ্ছি। বর্তমান সরকার কাগজবিহীন অর্থনীতিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। আজকের এই চুক্তির মাধ্যমে কাগজবিহীন অর্থনীতির পথে আরও এক ধাপ এগোল নোবিপ্রবি। সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।

জনাব মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের যাবতীয় চার্জ বা ফি প্রদান করতে হতো কাগজের মাধ্যমে যা ছিল সময়সাপেক্ষ। এই চুক্তির মাধ্যমে অনলাইনে সকল প্রকার ফি প্রদান করতে পারবে শিক্ষার্থীরা। আজকের এই আয়োজনের সফলতা কামনা করছি।

জনাব মোঃ শাহজাহান বলেন, সোনালী ব্যাংক ডিজিটাল বাংলাদেশ তথা স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। ব্যাংকিং সেবাগুলোকে কীভাবে আরও ডিজিটালাইজ করা যায় এবং গ্রাহকবান্ধব করা যায় সে লক্ষ্যে কাজ করছে। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা প্রণয়ন করেছি সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ে। এই গেটওয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা খুব সহজেই ভর্তি ফি, সেমিস্টার ফি ইত্যাদি প্রদান করতে পারবে। আজ সোনালী ব্যংক এবং নোবিপ্রবির মধ্যে যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে তাতে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।