ঢাকা ০১:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট

নিজস্ব সংবাদ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ১৮ জেলার পরীক্ষা হয়েছে গত ৮ ডিসেম্বর। পরীক্ষা বাতিল এবং ওই নিয়োগ পরীক্ষার যাবতীয় কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট হয়েছে।

সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ প্রত্যাশী ফাতেমা আক্তার নামে এক প্রার্থী মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট করেছেন।

রিটে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি), রংপুর, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের কমিশনারসহ ১৩ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।

হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম এবং বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এ রিটের বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

রিটের পক্ষের আইনজীবী মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, গত ৮ ডিসেম্বর প্রাথমিকের প্রথম ধাপের নিয়োগ পরীক্ষা হয়। এ ধাপে রংপুর, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের ১৮ জেলায় ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬৯৭ পরীক্ষায় অংশ নেন। এরমধ্যে হরতাল-অবরোধ ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে ১ লাখ ৫৮ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী অংশ নিতে পারেননি। এছাড়া পরীক্ষায় ব্যাপক অনিয়ম ও জালিয়াতি হয়েছে। এ কারণে ৮ ডিসেম্বর গ্রহণ করা পরীক্ষা বাতিল করে নির্বাচনের পর স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে নতুন করে পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে রিট করা হয়েছে। পাশাপাশি তিন বিভাগের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের সব কার্যক্রম স্থগিত চাওয়া হয়েছে রিটে।

আগামীকাল (১৪ ডিসেম্বর) রিট আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে বলেও জানান আইনজীবী।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৯:২০:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩
১০১ বার পড়া হয়েছে

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট

আপডেট সময় ০৯:২০:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৩

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ১৮ জেলার পরীক্ষা হয়েছে গত ৮ ডিসেম্বর। পরীক্ষা বাতিল এবং ওই নিয়োগ পরীক্ষার যাবতীয় কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট হয়েছে।

সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ প্রত্যাশী ফাতেমা আক্তার নামে এক প্রার্থী মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট করেছেন।

রিটে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি), রংপুর, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের কমিশনারসহ ১৩ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।

হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম এবং বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে এ রিটের বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

রিটের পক্ষের আইনজীবী মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, গত ৮ ডিসেম্বর প্রাথমিকের প্রথম ধাপের নিয়োগ পরীক্ষা হয়। এ ধাপে রংপুর, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের ১৮ জেলায় ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬৯৭ পরীক্ষায় অংশ নেন। এরমধ্যে হরতাল-অবরোধ ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে ১ লাখ ৫৮ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী অংশ নিতে পারেননি। এছাড়া পরীক্ষায় ব্যাপক অনিয়ম ও জালিয়াতি হয়েছে। এ কারণে ৮ ডিসেম্বর গ্রহণ করা পরীক্ষা বাতিল করে নির্বাচনের পর স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে নতুন করে পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে রিট করা হয়েছে। পাশাপাশি তিন বিভাগের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের সব কার্যক্রম স্থগিত চাওয়া হয়েছে রিটে।

আগামীকাল (১৪ ডিসেম্বর) রিট আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে বলেও জানান আইনজীবী।