ঢাকা ০৮:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আমাদের রাজনীতি মানুষের কল্যাণে, ওদের রাজনীতি হত্যায়- শেখ হাসিনা

নিজস্ব সংবাদ

আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমন ঘিরে উৎসবের আমেজ বিরাজ দেখা গিয়েছে বরিশালে। সকাল থেকেই বিভিন্ন স্থান থেকে মিছিল সহকারে দলে দলে লোক জমায়েত হয় জনসভাস্থল বঙ্গবন্ধু উদ্যানে। নানান পোস্টার-ব্যানারসহ নৌকা মার্কার প্রচারের বিভিন্ন উপকরণ নিয়ে নানা রঙের পোশাকে বর্ণিল মিছিল নিয়ে তারা হাজির হচ্ছেন নগরীর বিখ্যাত এই উদ্যানে। নৌকা আর জয় বাংলা স্লোগানে প্রকম্পিত করছেন নেতাকর্মীরা।

 

আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি হচ্ছে একটা সন্ত্রাসী দল এই সন্ত্রাসী দলের রাজনীতি করার অধিকার বাংলাদেশে নেই কারণ তারা মানুষ পোড়ায়, মানুষ হত্যা করে আমাদের রাজনীতি মানুষের কল্যাণে, আর ওদের রাজনীতি মানুষ হত্যায় তাদের কী মানুষ চায় বলেন? তাদের মানুষ চায় না 

 

প্রায় সাড়ে ৫ বৎসর পর শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে বরিশালে জনসভায় বঙ্গবন্ধু কন্যা নির্বাচনী জনসভায় এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা যখন জনগণের জন্য উন্নয়ন করি, তখন ওই বিএনপি-জামায়াত করে অগ্নিসন্ত্রাস। রেললাইনের ফিস প্লেট ফেলে দিয়ে, বগি ফেলে দিয়ে মানুষ হত্যার ফাঁদ পাতে। রেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। মা-সন্তানকে বুকে জড়িয়ে রেখেছে- এই অবস্থায় আগুনে পুড়ে কাঠ হয়ে গেছে। এই দৃশ্য পুরো বিশ্ব বিবেককে নাড়া দিয়েছে। আসে আগুন, গাড়িতে আগুন, ঠিক ২০০১ সালে শুরু করেছিল। এরপর ১৩-১৪ একই ঘটনা ঘটায়। এখন আবার অগ্নিসন্ত্রাস শুরু করেছে। আমি ধিক্কার জানাই বিএনপি-জামায়াতকে।

শেখ হাসিনা বলেন, আজকে আমি বরিশালে উপস্থিত হয়েছি। ৭ জানুয়ারি নির্বাচন, সেই লক্ষে এখানে উপস্থিত হয়েছি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শূন্য হাতে বাংলাদেশ বিনির্মাণের যাত্রা শুরু করেছিলেন। তিনি যখন দায়িত্ব নেন তখন মাথাপিছু আয় ছিল ৯১ ডলার। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার তিন বছরের মধ্যে তা ২৭৭ ডলারে উন্নীত করেন। তিনি অসহায়দের জন্য অকাতরে সব বিলিয়ে দেন। কিন্তু ১৯৭৫ সালে জাতির জনককে হত্যা নয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে হত্যা করেছিল। এরপর অবৈধভাবে জিয়া, এরশাদ ক্ষমতায় আসে। তারা মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারেনি। একমাত্র আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় আসে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ উন্নয়নে দেশের সোনালী সময় ছিল। দুর্ভাগ্য চক্রান্ত করে ২০০১ সালে আমাকে ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হয়নি। বরিশালে নেতাকর্মীদের যে নির্যাতন করা হয়েছিল তা অবর্ননীয়। ২০০১ থেকে ২০০৬ ছিল মানুষের সবচেয়ে বড় অন্ধকার যুগ।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। বিএনপির দুঃশাসনে জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করে আমাদের ক্ষমতায় রেখেছে। আজ ২০২৩ সাল, আমরা বদলে যাওয়া বাংলাদেশে। আজকে দুর্ভিক্ষ নেই, মঙ্গা নেই। যে মানুষ একবেলা খেতে পারতো না। তারা তিন বেলা খেতে পারছে। বই বিনামূলে বিতরণ করছি। অসহায়দের ভাতা দিচ্ছি।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১২:০৬:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৩
১০৫ বার পড়া হয়েছে

আমাদের রাজনীতি মানুষের কল্যাণে, ওদের রাজনীতি হত্যায়- শেখ হাসিনা

আপডেট সময় ১২:০৬:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৩

আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমন ঘিরে উৎসবের আমেজ বিরাজ দেখা গিয়েছে বরিশালে। সকাল থেকেই বিভিন্ন স্থান থেকে মিছিল সহকারে দলে দলে লোক জমায়েত হয় জনসভাস্থল বঙ্গবন্ধু উদ্যানে। নানান পোস্টার-ব্যানারসহ নৌকা মার্কার প্রচারের বিভিন্ন উপকরণ নিয়ে নানা রঙের পোশাকে বর্ণিল মিছিল নিয়ে তারা হাজির হচ্ছেন নগরীর বিখ্যাত এই উদ্যানে। নৌকা আর জয় বাংলা স্লোগানে প্রকম্পিত করছেন নেতাকর্মীরা।

 

আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি হচ্ছে একটা সন্ত্রাসী দল এই সন্ত্রাসী দলের রাজনীতি করার অধিকার বাংলাদেশে নেই কারণ তারা মানুষ পোড়ায়, মানুষ হত্যা করে আমাদের রাজনীতি মানুষের কল্যাণে, আর ওদের রাজনীতি মানুষ হত্যায় তাদের কী মানুষ চায় বলেন? তাদের মানুষ চায় না 

 

প্রায় সাড়ে ৫ বৎসর পর শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে বরিশালে জনসভায় বঙ্গবন্ধু কন্যা নির্বাচনী জনসভায় এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা যখন জনগণের জন্য উন্নয়ন করি, তখন ওই বিএনপি-জামায়াত করে অগ্নিসন্ত্রাস। রেললাইনের ফিস প্লেট ফেলে দিয়ে, বগি ফেলে দিয়ে মানুষ হত্যার ফাঁদ পাতে। রেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে। মা-সন্তানকে বুকে জড়িয়ে রেখেছে- এই অবস্থায় আগুনে পুড়ে কাঠ হয়ে গেছে। এই দৃশ্য পুরো বিশ্ব বিবেককে নাড়া দিয়েছে। আসে আগুন, গাড়িতে আগুন, ঠিক ২০০১ সালে শুরু করেছিল। এরপর ১৩-১৪ একই ঘটনা ঘটায়। এখন আবার অগ্নিসন্ত্রাস শুরু করেছে। আমি ধিক্কার জানাই বিএনপি-জামায়াতকে।

শেখ হাসিনা বলেন, আজকে আমি বরিশালে উপস্থিত হয়েছি। ৭ জানুয়ারি নির্বাচন, সেই লক্ষে এখানে উপস্থিত হয়েছি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শূন্য হাতে বাংলাদেশ বিনির্মাণের যাত্রা শুরু করেছিলেন। তিনি যখন দায়িত্ব নেন তখন মাথাপিছু আয় ছিল ৯১ ডলার। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার তিন বছরের মধ্যে তা ২৭৭ ডলারে উন্নীত করেন। তিনি অসহায়দের জন্য অকাতরে সব বিলিয়ে দেন। কিন্তু ১৯৭৫ সালে জাতির জনককে হত্যা নয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে হত্যা করেছিল। এরপর অবৈধভাবে জিয়া, এরশাদ ক্ষমতায় আসে। তারা মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারেনি। একমাত্র আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় আসে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ উন্নয়নে দেশের সোনালী সময় ছিল। দুর্ভাগ্য চক্রান্ত করে ২০০১ সালে আমাকে ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হয়নি। বরিশালে নেতাকর্মীদের যে নির্যাতন করা হয়েছিল তা অবর্ননীয়। ২০০১ থেকে ২০০৬ ছিল মানুষের সবচেয়ে বড় অন্ধকার যুগ।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। বিএনপির দুঃশাসনে জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করে আমাদের ক্ষমতায় রেখেছে। আজ ২০২৩ সাল, আমরা বদলে যাওয়া বাংলাদেশে। আজকে দুর্ভিক্ষ নেই, মঙ্গা নেই। যে মানুষ একবেলা খেতে পারতো না। তারা তিন বেলা খেতে পারছে। বই বিনামূলে বিতরণ করছি। অসহায়দের ভাতা দিচ্ছি।