ঢাকা ১০:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাগমারায় প্রশাসন ম্যানেজ করে রাতের আঁধারে ধানি জমিতে চলছে পুকুর খনন

মোঃ সাকিবুল ইসলাম স্বাধীন, রাজশাহী

রাজশাহী বাগমারা উপজেলার আউচপাড়া ইউনিয়নের খোদাপুর গ্রামে ২০ বিঘা ধানি জমিতে পুকুর খননের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই রাতের আঁধারে ওই পুকুর খনন করছেন মিজানুর রহমান নামে এক ব্যক্তি। ভেকু মালিক সোহেল রানা ওই পুকুর খননের দ্বায়িত্ব নিয়েছেন।

 

প্রথম দিকে এসিল্যান্ড পুকুর খনন বন্ধ করলেও পরে তা নিকোজিশনের মাধ্যমে আবারও পুকুর খনন কাজ চলমান রেখেছেন। ওই পুকুর খনন হলে স্থানীয় কৃষকদের দক্ষিণের জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হবে বলেও উল্লেখ করেন। এতে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন কৃষকরা।

 

১৪ জানুয়ারী (রোববার) সরেজমিনে গেলে স্বচিত্র প্রতিবেদক এমন ঘটনা জানতে পারেন। প্রতিবেদক ভুক্তভোগীদের বক্তব্য রেকর্ড করে সংশ্লিষ্ট বিষয় বাগমারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) সুমন চৌধুরীকে অবগত করেন।

 

এছাড়াও প্রতিবেদক হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মোয়াজ্জেমকে বিষয়টি অবগত করলে তিনি জানান, গত ১১ জানুয়ারী ওই পুকুর খনন বন্ধ করে দিয়েছিলেন এসিল্যান্ড স্যার। যদিও আবারও পুকুর খনন চলমান রাখে তাহলে আপনারা এসিল্যান্ড স্যারকে অভিযোগ দেন। এখানে পুলিশের কিছুই করার নাই।

বাগমারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) সুমন চৌধুরীকে ফোন দেওয়া হলে তিনি বলেন পুকুর খননকারীর নাম ঠিকানা ও কোন স্থানে খনন চলছে তা লিখে ম্যাসেজ করেন। অবশ্যই খননকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

কথা বললে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল হোসেন বলেন, আপনারা এসিল্যান্ডকে বিষয়টি জানান। এসব বিষয় এসিল্যান্ড ব্যবস্থা নিবেন।

 

প্রতিবেদকসহ প্রত্যাক্ষদোষী ও ভুক্তভোগীদের বরাতে জানা যায়, এসিল্যান্ডকে অভিযোগ দিলে তিনি প্রতিজনকে একই কথা বলেন। কোথায় পুকুর খনন হচ্ছে সেখানকার ছবি ও নাম ঠিকানা পাঠান বলেই ফোন কেটে দেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:২১:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৪
৪৫ বার পড়া হয়েছে

বাগমারায় প্রশাসন ম্যানেজ করে রাতের আঁধারে ধানি জমিতে চলছে পুকুর খনন

আপডেট সময় ০৮:২১:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৪

রাজশাহী বাগমারা উপজেলার আউচপাড়া ইউনিয়নের খোদাপুর গ্রামে ২০ বিঘা ধানি জমিতে পুকুর খননের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই রাতের আঁধারে ওই পুকুর খনন করছেন মিজানুর রহমান নামে এক ব্যক্তি। ভেকু মালিক সোহেল রানা ওই পুকুর খননের দ্বায়িত্ব নিয়েছেন।

 

প্রথম দিকে এসিল্যান্ড পুকুর খনন বন্ধ করলেও পরে তা নিকোজিশনের মাধ্যমে আবারও পুকুর খনন কাজ চলমান রেখেছেন। ওই পুকুর খনন হলে স্থানীয় কৃষকদের দক্ষিণের জমিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হবে বলেও উল্লেখ করেন। এতে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন কৃষকরা।

 

১৪ জানুয়ারী (রোববার) সরেজমিনে গেলে স্বচিত্র প্রতিবেদক এমন ঘটনা জানতে পারেন। প্রতিবেদক ভুক্তভোগীদের বক্তব্য রেকর্ড করে সংশ্লিষ্ট বিষয় বাগমারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) সুমন চৌধুরীকে অবগত করেন।

 

এছাড়াও প্রতিবেদক হাটগাঙ্গোপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মোয়াজ্জেমকে বিষয়টি অবগত করলে তিনি জানান, গত ১১ জানুয়ারী ওই পুকুর খনন বন্ধ করে দিয়েছিলেন এসিল্যান্ড স্যার। যদিও আবারও পুকুর খনন চলমান রাখে তাহলে আপনারা এসিল্যান্ড স্যারকে অভিযোগ দেন। এখানে পুলিশের কিছুই করার নাই।

বাগমারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) সুমন চৌধুরীকে ফোন দেওয়া হলে তিনি বলেন পুকুর খননকারীর নাম ঠিকানা ও কোন স্থানে খনন চলছে তা লিখে ম্যাসেজ করেন। অবশ্যই খননকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

কথা বললে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল হোসেন বলেন, আপনারা এসিল্যান্ডকে বিষয়টি জানান। এসব বিষয় এসিল্যান্ড ব্যবস্থা নিবেন।

 

প্রতিবেদকসহ প্রত্যাক্ষদোষী ও ভুক্তভোগীদের বরাতে জানা যায়, এসিল্যান্ডকে অভিযোগ দিলে তিনি প্রতিজনকে একই কথা বলেন। কোথায় পুকুর খনন হচ্ছে সেখানকার ছবি ও নাম ঠিকানা পাঠান বলেই ফোন কেটে দেন।