ঢাকা ১১:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাল্যবিবাহের মাধ্যমে কন্যা শিশুর স্বপ্নগুলো ভেঙে দেওয়া হয়: ড. কামাল

নিজস্ব সংবাদ

 

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, প্রত্যেক শিশুই অনেক স্বপ্ন নিয়ে বড় হয়৷ আমাদের দেশে বাল্যবিবাহের মাধ্যমে কন্যা শিশুর স্বপ্নগুলো ভেঙে দেওয়া হয়। এই স্বপ্ন ভেঙে দেওয়ার অধিকার কারও নেই। বাল্যবিবাহ মানবাধিকার লঙ্ঘন।

মঙ্গলবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে কক্সবাজারের রামু উপজেলার ৪টি গ্রামকে বাল্যবিবাহ মুক্ত ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য মো. সেলিম রেজা, সচিব সেবাষ্টিন রেমা, পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) কাজী আরফান আশিক ও উপ-পরিচালক এম. রবিউল ইসলাম।

কমিশন চেয়ারম্যান বলেন, একটি শিশু হয়েও গর্ভে ধারণ করতে হয় আরেকটি শিশুকে। শিকার হতে হয় পারিবারিক সহিংসতা ও নির্যাতনের। বাড়ছে মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যু। শিশু জন্মগ্রহণ করেই ভুগছে পুষ্টিহীনতাসহ অন্যান্য রোগে।  সামাজিকভাবে বাল্যবিবাহ বয়কট করতে হবে৷ সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে৷ বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করতে গিয়ে কেউ বিপদে পড়লে মানবাধিকার কমিশন তার পক্ষে থাকবে’।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৪:৩৮:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০২৪
১০১ বার পড়া হয়েছে

বাল্যবিবাহের মাধ্যমে কন্যা শিশুর স্বপ্নগুলো ভেঙে দেওয়া হয়: ড. কামাল

আপডেট সময় ০৪:৩৮:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০২৪

 

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, প্রত্যেক শিশুই অনেক স্বপ্ন নিয়ে বড় হয়৷ আমাদের দেশে বাল্যবিবাহের মাধ্যমে কন্যা শিশুর স্বপ্নগুলো ভেঙে দেওয়া হয়। এই স্বপ্ন ভেঙে দেওয়ার অধিকার কারও নেই। বাল্যবিবাহ মানবাধিকার লঙ্ঘন।

মঙ্গলবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে কক্সবাজারের রামু উপজেলার ৪টি গ্রামকে বাল্যবিবাহ মুক্ত ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য মো. সেলিম রেজা, সচিব সেবাষ্টিন রেমা, পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) কাজী আরফান আশিক ও উপ-পরিচালক এম. রবিউল ইসলাম।

কমিশন চেয়ারম্যান বলেন, একটি শিশু হয়েও গর্ভে ধারণ করতে হয় আরেকটি শিশুকে। শিকার হতে হয় পারিবারিক সহিংসতা ও নির্যাতনের। বাড়ছে মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যু। শিশু জন্মগ্রহণ করেই ভুগছে পুষ্টিহীনতাসহ অন্যান্য রোগে।  সামাজিকভাবে বাল্যবিবাহ বয়কট করতে হবে৷ সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে৷ বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করতে গিয়ে কেউ বিপদে পড়লে মানবাধিকার কমিশন তার পক্ষে থাকবে’।