ঢাকা ০৮:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিরামপুর ফুটপাতে গরম কাপড়ের দোকানে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভীড়

মোঃ আব্দুল আজিজ, বিরামপুর, দিনাজপুর

 

 

কবি ভাস্কর চক্রবর্তী শীত কবে আসবে সুপর্না কবিতায় কবি শীতের অপেক্ষায় ছিলেন। শীত এলে তিন মাস ঘুমিয়ে থাকতে চেয়ে ছিলেন, সেই শীতকাল এখন চলছে। শীতে কাতর উত্তরের জেলাগুলোসহ বিরামপুরের মানুষ।

 

শীতে টানা কয়েকদিন ধরে সূর্যের দেখা মিলছে না। সূর্যের দেখা না মিলায় বিরামপুর শহরের মোড়ে মোড়ে আগুন পোহাতে দেখা যায় শীতার্ত মানুষদের। এই অবস্থায় গতকাল দেশের সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা ছিল দিনাজপুরে ৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

 

বিরামপুরে ফুটপাতে লাঠির মাথায় হরেক রকম মালামাল নিয়ে বিক্রয় করেন মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম। ৩০ জনের একটি দল শীত মৌসুমে বিরামপুর এসে ভ্রাম্যমান দোকান দিয়ে জীবন জীবিকায় চালায়। সকাল ৭টা থেকে রাত্রী ১০টা পর্যন্ত বেচাকেনা চলে। দোকানে হরেক রকমের মালামাল থাকে। হাতমোজা, মাথার টুপি, গোলটুপি, পুতুল টুপি, পামোজা, ফুলটুপি, বিড়ালটুপি, চুলটুপি, আশিকীটুপিসহ নানান আইটেমের জিনিস তার দোকানে থাকে। আজকে তার দোকানগুলোতে বেশ ভিড় লক্ষ্য করা যায়।

 

এক ক্রেতা জানান, আমি তার দোকান হইতে ১২টি অনলাইন টুপি ক্রয় করি। অন্য এক ক্রেতা বলেন, তীব্র শীতের কারণে ছোট বাচ্চাদের হাতমোজা, পামোজা, মাথার টুপি ক্রয় করি। দোকানী বকুল ও পলি আক্তারের সাথে কথা বলে জানা যায়, হরেক রকমের দোকান দিয়ে তাদের সংসার চলে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৬:১২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৪
১০২ বার পড়া হয়েছে

বিরামপুর ফুটপাতে গরম কাপড়ের দোকানে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভীড়

আপডেট সময় ০৬:১২:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৪

 

 

কবি ভাস্কর চক্রবর্তী শীত কবে আসবে সুপর্না কবিতায় কবি শীতের অপেক্ষায় ছিলেন। শীত এলে তিন মাস ঘুমিয়ে থাকতে চেয়ে ছিলেন, সেই শীতকাল এখন চলছে। শীতে কাতর উত্তরের জেলাগুলোসহ বিরামপুরের মানুষ।

 

শীতে টানা কয়েকদিন ধরে সূর্যের দেখা মিলছে না। সূর্যের দেখা না মিলায় বিরামপুর শহরের মোড়ে মোড়ে আগুন পোহাতে দেখা যায় শীতার্ত মানুষদের। এই অবস্থায় গতকাল দেশের সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা ছিল দিনাজপুরে ৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

 

বিরামপুরে ফুটপাতে লাঠির মাথায় হরেক রকম মালামাল নিয়ে বিক্রয় করেন মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম। ৩০ জনের একটি দল শীত মৌসুমে বিরামপুর এসে ভ্রাম্যমান দোকান দিয়ে জীবন জীবিকায় চালায়। সকাল ৭টা থেকে রাত্রী ১০টা পর্যন্ত বেচাকেনা চলে। দোকানে হরেক রকমের মালামাল থাকে। হাতমোজা, মাথার টুপি, গোলটুপি, পুতুল টুপি, পামোজা, ফুলটুপি, বিড়ালটুপি, চুলটুপি, আশিকীটুপিসহ নানান আইটেমের জিনিস তার দোকানে থাকে। আজকে তার দোকানগুলোতে বেশ ভিড় লক্ষ্য করা যায়।

 

এক ক্রেতা জানান, আমি তার দোকান হইতে ১২টি অনলাইন টুপি ক্রয় করি। অন্য এক ক্রেতা বলেন, তীব্র শীতের কারণে ছোট বাচ্চাদের হাতমোজা, পামোজা, মাথার টুপি ক্রয় করি। দোকানী বকুল ও পলি আক্তারের সাথে কথা বলে জানা যায়, হরেক রকমের দোকান দিয়ে তাদের সংসার চলে।