ঢাকা ১২:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সাঘাটায় দূর্বত্তদের আঘাতে বতর্মান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গুরুতর আহত

সাঘাটা ( গাইবান্ধা ) প্রতিনিধি
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবীর কে পথরোধ করে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
জানা গেছে সোমবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে সাঘাটা উপজেলার  হাট ভরতখালি এলাকায় উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবীর ও তাঁর মা বেলী বেগম কে পথরোধ করে সন্ত্রাসী কায়দায় মারপিট করেছে একদল যুবক। জাহাঙ্গীর কবির  কে গুরুতর অবস্থায় গাইবান্ধা আধুনিক জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
এ বিষয়ে সাঘাটা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবিরের মা ও প্রয়াত জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়ার বোন বেলী বেগম বলেন,  আমি  ও আমার ছেলে আমার চাচাতো ভাইয়ের জানাযার নামাজ শেষ সিএনজি যোগে হাট ভরতখালি এলাকায় পৌছালে আমাদের পথরোধ করে একদল সন্ত্রাসী  দেশীয় অস্ত্র দিয়ে জাহাঙ্গীরের শরীরে বেদম মারপিট করে। ছেলেকে বাঁচাতে আমি অনেকবার অনুরোধ করেছি। শেষ পযর্ন্ত ছেলেকে রক্ষা করতে না পেরে  কান্নায় ভেঙ্গে পরেন তিনি।
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৪:৩৩:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৪
১১৪ বার পড়া হয়েছে

সাঘাটায় দূর্বত্তদের আঘাতে বতর্মান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান গুরুতর আহত

আপডেট সময় ০৪:৩৩:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৪
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবীর কে পথরোধ করে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
জানা গেছে সোমবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে সাঘাটা উপজেলার  হাট ভরতখালি এলাকায় উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবীর ও তাঁর মা বেলী বেগম কে পথরোধ করে সন্ত্রাসী কায়দায় মারপিট করেছে একদল যুবক। জাহাঙ্গীর কবির  কে গুরুতর অবস্থায় গাইবান্ধা আধুনিক জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
এ বিষয়ে সাঘাটা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবিরের মা ও প্রয়াত জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়ার বোন বেলী বেগম বলেন,  আমি  ও আমার ছেলে আমার চাচাতো ভাইয়ের জানাযার নামাজ শেষ সিএনজি যোগে হাট ভরতখালি এলাকায় পৌছালে আমাদের পথরোধ করে একদল সন্ত্রাসী  দেশীয় অস্ত্র দিয়ে জাহাঙ্গীরের শরীরে বেদম মারপিট করে। ছেলেকে বাঁচাতে আমি অনেকবার অনুরোধ করেছি। শেষ পযর্ন্ত ছেলেকে রক্ষা করতে না পেরে  কান্নায় ভেঙ্গে পরেন তিনি।