ঢাকা ১১:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সিটি করপোরেশনের জায়গা দখল করে জয়নাল আবেদীনের চাঁদা উত্তলন সাধারণ মানুষের ভোগান্তি

হাসান আহমেদ, নারায়ণগঞ্জ

নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জ পুলে খাজা মার্কেটে কোনো একটি অজুহাত পেলেই কাচামালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বাড়িয়ে দেয়া হয়। রোজা, ঈদে তো দ্রব্যেমূল্য ভয়াবহ রূপ নেয়। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের অস্বাভাবিক এবং আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের জন্য এখন ‘মরার উপর খাড়ার ঘা’।

বাজারে চাল, ডাল, তেল, নুন, পেঁয়াজ, শাকসবজি থেকে শুরু করে এমন কোনো নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য নেই, যার দাম বাড়ছে না। নিম্নআয়ের মানুষ যা আয় করছে, তার পুরোটাই জীবনধারণের জন্য ন্যূনতম খাদ্যদ্রব্য ক্রয় করতেই শেষ হয়ে যাচ্ছে।

মাহে রমজানের শুরু থেকেই কাঁচা বাজারে বাজার মূল্যের চেয়েও বেশি দামে মাছ, মাংস, মুড়ি, আলু, পেয়াজ, কাচ মরিচ সহ বিভিন্ন পণ্য চড়া দামে বিক্রির অভিযোগ করেছেন সাধারণ মানুষ।

অসাধু ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ব থেকে রক্ষা পেতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, নারায়ণগঞ্জ জেলা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষনের জোর দাবী করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। এমনকি এ-ই মার্কেটে মুরগী, মাংস, মাছ কেজিতে প্রায় ২০০ গ্রাম কমে পাওয়া যায়।

এছাড়াও খাজা মার্কেটের সামনে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক ১নং ওয়ার্ডে) চলাচলের রাস্তা দখল করে ফুটপাতে দোকান বসিয়ে চাঁদা উত্তলনের অভিযোগ পাওয়া গেছে মার্কেটের মালিক জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধে। এতে করে যান চলাচলের ভোগান্তির শিকার হচ্ছে পথ চাড়ি সাধারণ মানুষের।

সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, খাজা মার্কেটের কাঁচা বাজারে সব সবজি চড়া দামে বিক্র করছে। আশে-পাশে যেসব বাজার রয়েছে ওইসব বাজারে সঠিক দামে আলু, পেয়াজ, মরিচ, শিম, টমেটো, শসা, শাক-সবজি সঠিক দামে বিক্র হচ্ছে।

মাছ-মাংস তো মধ্য ও নিম্নবিত্তদের খাবারের তালিকার বাহিরে। তাই মানুষ জীবন যাপনে খেয়ে বেঁচে থাকার কারণে বিভিন্ন ধরণের শাক-সবজিকে বেছে নিয়েছে। কিন্তু এই খাজা মার্কেটের বাজারের অস্বস্তিতে পরে ভোগান্তির অন্ত নেই। এতে করে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে বলে মনে করছেন বাজারে আসা ক্রেতারা।

ক্রেতারা বলছেন, সরকার পণ্যের যে দাম বেঁধে দেয় তাতেও তো কোনো লাভ হয় না। বিক্রেতারা নিজেদের ইচ্ছে মতো দাম নেয়। যেসব সবজি বা অন্যান্য পণ্য আমাদের দেশে ফলানো হয় সেগুলোর দামও বেশি নিচ্ছে।

অনেক সবজি রয়েছে বাহির থেকে আমদানি করতে হয় না তাও কেনো এগুলোর দাম এতো বেশি। অসাধু ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ব থেকে ভোক্তা সাধারণকে রক্ষা করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জোরালো ভূমিকা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০২:০৫:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০২৪
২৮ বার পড়া হয়েছে

সিটি করপোরেশনের জায়গা দখল করে জয়নাল আবেদীনের চাঁদা উত্তলন সাধারণ মানুষের ভোগান্তি

আপডেট সময় ০২:০৫:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মার্চ ২০২৪

নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জ পুলে খাজা মার্কেটে কোনো একটি অজুহাত পেলেই কাচামালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বাড়িয়ে দেয়া হয়। রোজা, ঈদে তো দ্রব্যেমূল্য ভয়াবহ রূপ নেয়। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের অস্বাভাবিক এবং আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের জন্য এখন ‘মরার উপর খাড়ার ঘা’।

বাজারে চাল, ডাল, তেল, নুন, পেঁয়াজ, শাকসবজি থেকে শুরু করে এমন কোনো নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য নেই, যার দাম বাড়ছে না। নিম্নআয়ের মানুষ যা আয় করছে, তার পুরোটাই জীবনধারণের জন্য ন্যূনতম খাদ্যদ্রব্য ক্রয় করতেই শেষ হয়ে যাচ্ছে।

মাহে রমজানের শুরু থেকেই কাঁচা বাজারে বাজার মূল্যের চেয়েও বেশি দামে মাছ, মাংস, মুড়ি, আলু, পেয়াজ, কাচ মরিচ সহ বিভিন্ন পণ্য চড়া দামে বিক্রির অভিযোগ করেছেন সাধারণ মানুষ।

অসাধু ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ব থেকে রক্ষা পেতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, নারায়ণগঞ্জ জেলা কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষনের জোর দাবী করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। এমনকি এ-ই মার্কেটে মুরগী, মাংস, মাছ কেজিতে প্রায় ২০০ গ্রাম কমে পাওয়া যায়।

এছাড়াও খাজা মার্কেটের সামনে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের (নাসিক ১নং ওয়ার্ডে) চলাচলের রাস্তা দখল করে ফুটপাতে দোকান বসিয়ে চাঁদা উত্তলনের অভিযোগ পাওয়া গেছে মার্কেটের মালিক জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধে। এতে করে যান চলাচলের ভোগান্তির শিকার হচ্ছে পথ চাড়ি সাধারণ মানুষের।

সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, খাজা মার্কেটের কাঁচা বাজারে সব সবজি চড়া দামে বিক্র করছে। আশে-পাশে যেসব বাজার রয়েছে ওইসব বাজারে সঠিক দামে আলু, পেয়াজ, মরিচ, শিম, টমেটো, শসা, শাক-সবজি সঠিক দামে বিক্র হচ্ছে।

মাছ-মাংস তো মধ্য ও নিম্নবিত্তদের খাবারের তালিকার বাহিরে। তাই মানুষ জীবন যাপনে খেয়ে বেঁচে থাকার কারণে বিভিন্ন ধরণের শাক-সবজিকে বেছে নিয়েছে। কিন্তু এই খাজা মার্কেটের বাজারের অস্বস্তিতে পরে ভোগান্তির অন্ত নেই। এতে করে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে বলে মনে করছেন বাজারে আসা ক্রেতারা।

ক্রেতারা বলছেন, সরকার পণ্যের যে দাম বেঁধে দেয় তাতেও তো কোনো লাভ হয় না। বিক্রেতারা নিজেদের ইচ্ছে মতো দাম নেয়। যেসব সবজি বা অন্যান্য পণ্য আমাদের দেশে ফলানো হয় সেগুলোর দামও বেশি নিচ্ছে।

অনেক সবজি রয়েছে বাহির থেকে আমদানি করতে হয় না তাও কেনো এগুলোর দাম এতো বেশি। অসাধু ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ব থেকে ভোক্তা সাধারণকে রক্ষা করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জোরালো ভূমিকা গ্রহণ করা প্রয়োজন।