ঢাকা ০৯:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ভূমি মন্ত্রী পদে ভূষিত হলেন খুলনা-৫ আসনে নির্বাচিত- নারায়ণ চন্দ্র চন্দ

মামুনর রশীদ রাজু, ব্যুরো চিফ (খুলনা)

 

ভুমি মন্ত্রী পদে ভূষিত হলেন খুলনা-৫ আসনে নির্বাচিত বঙ্গবন্ধুর নিবেদিত সৈনিক নারায়ণ চন্দ্র চন্দ।

সংসদীয় আসন খুলনা-৫ খুলনার ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলা নিয়ে গঠিত। ২০০০ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম বার উপনির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন শিক্ষক নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। তিনি এবার খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) আসন থেকে পঞ্চম বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এবং সরকারের মন্ত্রিসভায় পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে শপথ গ্রহণ করেছেন।

টানা ৩৮ বছরের বৈচিত্র্যময় শিক্ষকতা জীবনের সঙ্গে তাঁর জীবনে যোগ হয়েছে সুদীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা। প্রথমে প্রধান শিক্ষক থেকে ইউপি চেয়রম্যান, এরপর সংসদ সদস্য থেকে প্রতিমন্ত্রী, তারপর পূর্ণমন্ত্রী।

নারায়ণ চন্দ্র চন্দ খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার উলা গ্রামের স্বর্গীয় কালীপদ চন্দের মেজো ছেলে। ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দের ১২ মার্চ তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর মা ছিলেন স্বর্গীয়া রেণুকা বালা চন্দ। উলাগ্রামের পাঠশালায় তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু। বান্দা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। ১৯৬১ খ্রিষ্টাব্দে ডুমুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক্যুলেশন পাশ করেন। ১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দে দৌলতপুর বিএল কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৬ খ্রিষ্টাব্দে তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স এবং ১৯৬৭ খ্রিষ্টাব্দে একই বিষয়ে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন।

মাস্টার্সের ফল প্রকাশের আগেই নারায়ণ চন্দ্র চন্দ ডুমুরিয়ার সাহস নোয়াকাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে এই স্কুল থেকে সর্বপ্রথম শিক্ষার্থীরা এসএসসি পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ পায়। ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দের ৭ মে ডুমুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে তিনি বিএড পাস করেন। তিনি ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দের ১১ মার্চ শিক্ষকতা থেকে অবসর নেন। তার স্ত্রী উষা রানী চন্দও স্কুল শিক্ষক। তার বড় ছেলে অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ্র চন্দ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য।

১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে নারায়ণ চন্দ্র চন্দ শিক্ষকদের ঐক্যবদ্ধ করতে প্রতিষ্ঠা করেন থানা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি।

তিনি প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান।

নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হলো আজ সন্ধ্যায়। আজ (১১ জানুয়ারি) বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাসহ ৩৭ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন। পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ পড়ান। এর আগে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ২৫ জন মন্ত্রী ও ১১ জন প্রতিমন্ত্রীকে নিয়োগ দিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

৩৬ জনের তালিকা সংবলিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (২) দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি আজ বৃহস্পতিবার তাদের বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদে নিয়োগদান করেছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০৮:০৪:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৪
১৭৪ বার পড়া হয়েছে

ভূমি মন্ত্রী পদে ভূষিত হলেন খুলনা-৫ আসনে নির্বাচিত- নারায়ণ চন্দ্র চন্দ

আপডেট সময় ০৮:০৪:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৪

 

ভুমি মন্ত্রী পদে ভূষিত হলেন খুলনা-৫ আসনে নির্বাচিত বঙ্গবন্ধুর নিবেদিত সৈনিক নারায়ণ চন্দ্র চন্দ।

সংসদীয় আসন খুলনা-৫ খুলনার ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলা নিয়ে গঠিত। ২০০০ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম বার উপনির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন শিক্ষক নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। তিনি এবার খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) আসন থেকে পঞ্চম বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এবং সরকারের মন্ত্রিসভায় পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে শপথ গ্রহণ করেছেন।

টানা ৩৮ বছরের বৈচিত্র্যময় শিক্ষকতা জীবনের সঙ্গে তাঁর জীবনে যোগ হয়েছে সুদীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা। প্রথমে প্রধান শিক্ষক থেকে ইউপি চেয়রম্যান, এরপর সংসদ সদস্য থেকে প্রতিমন্ত্রী, তারপর পূর্ণমন্ত্রী।

নারায়ণ চন্দ্র চন্দ খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার উলা গ্রামের স্বর্গীয় কালীপদ চন্দের মেজো ছেলে। ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দের ১২ মার্চ তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর মা ছিলেন স্বর্গীয়া রেণুকা বালা চন্দ। উলাগ্রামের পাঠশালায় তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু। বান্দা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। ১৯৬১ খ্রিষ্টাব্দে ডুমুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক্যুলেশন পাশ করেন। ১৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দে দৌলতপুর বিএল কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৬ খ্রিষ্টাব্দে তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স এবং ১৯৬৭ খ্রিষ্টাব্দে একই বিষয়ে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন।

মাস্টার্সের ফল প্রকাশের আগেই নারায়ণ চন্দ্র চন্দ ডুমুরিয়ার সাহস নোয়াকাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে এই স্কুল থেকে সর্বপ্রথম শিক্ষার্থীরা এসএসসি পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ পায়। ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দের ৭ মে ডুমুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। ১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দে তিনি বিএড পাস করেন। তিনি ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দের ১১ মার্চ শিক্ষকতা থেকে অবসর নেন। তার স্ত্রী উষা রানী চন্দও স্কুল শিক্ষক। তার বড় ছেলে অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ্র চন্দ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য।

১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে নারায়ণ চন্দ্র চন্দ শিক্ষকদের ঐক্যবদ্ধ করতে প্রতিষ্ঠা করেন থানা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি।

তিনি প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পান।

নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হলো আজ সন্ধ্যায়। আজ (১১ জানুয়ারি) বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাসহ ৩৭ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন। পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ পড়ান। এর আগে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ২৫ জন মন্ত্রী ও ১১ জন প্রতিমন্ত্রীকে নিয়োগ দিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

৩৬ জনের তালিকা সংবলিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (২) দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি আজ বৃহস্পতিবার তাদের বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদে নিয়োগদান করেছেন।