ঢাকা ০৮:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

৮ই ফেব্রুয়ারী পালিত হবে ইবির সংবর্ত-৩৬ এর ব্যাচ ডে

ওয়াসিফ আল আবরার, ইবি

❝হোক ঝংকার, তারপর হবো ইতিহাস❞ স্লোগানে বিশ্ববিদ্যালয়ে আগমনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আগামী ৮ই ফেব্রুয়ারি পালিত হতে যাচ্ছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ৩৬ তম ব্যাচ ‘সংবর্ত-৩৬’ এর ব্যাচ ডে।

ব্যাচ-ডে উদযাপন উপলক্ষে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ছাত্র উপদেষ্টার নিকট থেকে লিখিত অনুমোদন নিয়ে রেজিস্ট্রেশন ও অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিতে কাজ করছে ৩২ সদস্য বিশিষ্ট আয়োজক কমিটির সদস্যরা।

আয়োজক কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন মাহমুদুল হাসান মাফি, ইজাজ আসিফ, মাইনুল ইসলাম জয়, নুসরাত ঐশি, তাসরিফ রোহান, সালমান আজিজ, আসিফ হাসান লিখন। কমিটিতে কনভেনর হিসেবে আছেন মারুফ হাসান ও কো-কনভেনর জান্নাত মীম। এছাড়াও ট্রেজারার হিসেবে কাজী নিশাত তাসনিম নেহা ও পর্যবেক্ষক হিসেবে আকাশ সিকদার, জুবায়ের অভি, মুন্না ইসলাম, মাহিদ আলি, সাগর মাহমোদ, সামিউর ইসলাম, আহনাফ তাহসিন ফুয়াদ, সেজান, ইজাজ আহমেদ, সাদ, মীম জাহান খুশি, শেখ রুম্মান, নিয়ামুল হাসান মনন, হাম্মাদ উদ্দিন সাদি, ইয়াশ রোহান, মো: ইমন, রাজ, ইমরান, প্রান্ত, চন্দ্রা, তারেক ও নুসরাত জান্নাত রয়েছেন।

ব্যাচ-ডে উদযাপনে দিনব্যাপী আয়োজনের মধ্যে থাকছে ক্যাম্পাসের মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব চত্বরে ফ্ল্যাশ মোব, ৩৬ পাউন্ডের কেক কাটা, ৮ টি ফ্যাকাল্টি বেজড স্ট্রিট আর্ট, সংবর্ত-৩৬ ব্যাচের একটি গ্রাফিতি, ক্যারিকেচার, মুক্তলিখন, নাচ, গান, কবিতা সহ আনপ্লাগড সেশন, র‍্যাফেল ড্র এবং ফানুস উড়ানোর মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি।

আয়োজনের কনভেনর মারুফ হাসান বলেন, আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় এক বছর প্রায় অতিবাহিত করে ফেলেছি। আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে অনুরোধ থাকবে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি দিনটি একসাথে কাধে কাধ রেখে, সুশৃঙ্খল ভাবে উদযাপন করার। আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেকটি ব্যাচের সিনিয়ররা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী সকলেই সার্বজনীনভাবে আমাদের এই আনন্দ উৎসবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে।

আয়োজনের আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান মাফি বলেন, আগামী ৮ ই ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় কেক কাটার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন এবং সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হবে। সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ৩২ জনের আয়োজক কমিটি এবং ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবী দায়িত্বরত থাকবে। যেকোনো প্রোগ্রামের আয়োজন করতে হলে বিভিন্ন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়। তবে ব্যাচ-ডে সুষ্ঠ এবং সুন্দর ভাবে শেষ করাই আমাদের লক্ষ্য।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ জানান, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখা এবং উচ্চ শব্দে সাউন্ড বক্স না বাজানোর শর্তে, ছাত্র-উপেদেষ্টা মহোদয়ের সুপারিশক্রমে ব্যাচ ডে পালনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যেকোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা রোধে আয়োজকেরা সচেষ্ট থাকবে বলে জানিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডিও আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সচেষ্ট থাকবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ১১:৪১:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৪
৪৫৩ বার পড়া হয়েছে

৮ই ফেব্রুয়ারী পালিত হবে ইবির সংবর্ত-৩৬ এর ব্যাচ ডে

আপডেট সময় ১১:৪১:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৪

❝হোক ঝংকার, তারপর হবো ইতিহাস❞ স্লোগানে বিশ্ববিদ্যালয়ে আগমনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আগামী ৮ই ফেব্রুয়ারি পালিত হতে যাচ্ছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ৩৬ তম ব্যাচ ‘সংবর্ত-৩৬’ এর ব্যাচ ডে।

ব্যাচ-ডে উদযাপন উপলক্ষে দিনব্যাপী অনুষ্ঠান আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ছাত্র উপদেষ্টার নিকট থেকে লিখিত অনুমোদন নিয়ে রেজিস্ট্রেশন ও অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিতে কাজ করছে ৩২ সদস্য বিশিষ্ট আয়োজক কমিটির সদস্যরা।

আয়োজক কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন মাহমুদুল হাসান মাফি, ইজাজ আসিফ, মাইনুল ইসলাম জয়, নুসরাত ঐশি, তাসরিফ রোহান, সালমান আজিজ, আসিফ হাসান লিখন। কমিটিতে কনভেনর হিসেবে আছেন মারুফ হাসান ও কো-কনভেনর জান্নাত মীম। এছাড়াও ট্রেজারার হিসেবে কাজী নিশাত তাসনিম নেহা ও পর্যবেক্ষক হিসেবে আকাশ সিকদার, জুবায়ের অভি, মুন্না ইসলাম, মাহিদ আলি, সাগর মাহমোদ, সামিউর ইসলাম, আহনাফ তাহসিন ফুয়াদ, সেজান, ইজাজ আহমেদ, সাদ, মীম জাহান খুশি, শেখ রুম্মান, নিয়ামুল হাসান মনন, হাম্মাদ উদ্দিন সাদি, ইয়াশ রোহান, মো: ইমন, রাজ, ইমরান, প্রান্ত, চন্দ্রা, তারেক ও নুসরাত জান্নাত রয়েছেন।

ব্যাচ-ডে উদযাপনে দিনব্যাপী আয়োজনের মধ্যে থাকছে ক্যাম্পাসের মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব চত্বরে ফ্ল্যাশ মোব, ৩৬ পাউন্ডের কেক কাটা, ৮ টি ফ্যাকাল্টি বেজড স্ট্রিট আর্ট, সংবর্ত-৩৬ ব্যাচের একটি গ্রাফিতি, ক্যারিকেচার, মুক্তলিখন, নাচ, গান, কবিতা সহ আনপ্লাগড সেশন, র‍্যাফেল ড্র এবং ফানুস উড়ানোর মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি।

আয়োজনের কনভেনর মারুফ হাসান বলেন, আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় এক বছর প্রায় অতিবাহিত করে ফেলেছি। আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে অনুরোধ থাকবে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি দিনটি একসাথে কাধে কাধ রেখে, সুশৃঙ্খল ভাবে উদযাপন করার। আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেকটি ব্যাচের সিনিয়ররা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী সকলেই সার্বজনীনভাবে আমাদের এই আনন্দ উৎসবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে।

আয়োজনের আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান মাফি বলেন, আগামী ৮ ই ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় কেক কাটার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন এবং সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হবে। সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ৩২ জনের আয়োজক কমিটি এবং ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবী দায়িত্বরত থাকবে। যেকোনো প্রোগ্রামের আয়োজন করতে হলে বিভিন্ন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়। তবে ব্যাচ-ডে সুষ্ঠ এবং সুন্দর ভাবে শেষ করাই আমাদের লক্ষ্য।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ জানান, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখা এবং উচ্চ শব্দে সাউন্ড বক্স না বাজানোর শর্তে, ছাত্র-উপেদেষ্টা মহোদয়ের সুপারিশক্রমে ব্যাচ ডে পালনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যেকোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা রোধে আয়োজকেরা সচেষ্ট থাকবে বলে জানিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডিও আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সচেষ্ট থাকবে।